অবিবাহিত কন্যা বাবা-মায়ের কাছে কী দাবি করতে পারে, সর্বশেষ রায় ছত্তিশগড় হাইকোর্টের
অবিবাহিত কন্যার (unmarried daighter) অধিকার রয়েছে বাবা-মায়ের (parents) ওপরে। বিবাহের (marriage) খরচ দাবি করার অধিকার রয়েছে। হিন্দু দত্তক এবং ভরণ-পোষণ আইন অনুযায়ী সেই অধিকার রয়েছে অবিবাহিত কন্যার। এমনটাই জানিয়েছে ছত্
অবিবাহিত কন্যার (unmarried daighter) অধিকার রয়েছে বাবা-মায়ের (parents) ওপরে। বিবাহের (marriage) খরচ দাবি করার অধিকার রয়েছে। হিন্দু দত্তক এবং ভরণ-পোষণ আইন অনুযায়ী সেই অধিকার রয়েছে অবিবাহিত কন্যার। এমনটাই জানিয়েছে ছত্তিশগড় হাইকোর্ট (Chattisgarh High Court))।

আইনের ধারার কথা উল্লেখ
রায় দিয়ে গিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি গৌতম ভাদুড়ি এবং সঞ্জয় আগরওয়াল বলেছেন, হিন্দু দত্তক এবং ভরণ-পোষণ আইনের 3 (b) (ii) ধারাতেই এর উল্লেখ রয়েছে।
রায় দিতে গিয়ে বিচারপতিরা বলেছেন, ভারতীয় সমাজে সাধারণভাবে প্রাক বিবাহ এবং বিবাহের সময়ে খরচ হয়। বেঞ্চ বলেছে অধিকার তৈরি করাই ছিল। সেই কারণে আদালত তাকে অস্বীকার করতে পারে না। বিশেষ করে যখন কোনও অবিবাহিত কন্যা তার দাবি করে।

পরিবার আদালত আবেদন বাতিল করেছিল
বিষয়টি উঠে এসেছে পারিবারিক আদালতের একটি রায়ের ওপরে ভিত্তি করে। এক অবিবাহিত কন্যা বাবা-মায়ের কাছে বিয়ের খরচের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল। তারপর সে পারিবারিক আদালতে যায়। কিন্তু সেই আদালত সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছিল। আবেদনকারী অবিবাহিত কন্যা জানিয়েছিল বাবা অবসরের সময় ৭৫ লক্ষ টাকা পেয়েছিল। তার মধ্যে থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পেতে বাকি ছিল।

হাইকোর্টে শুনানি
এরপর সেই আবেদন আসে হাইকোর্টে। আবেদনকারী মাদ্রাজ হাইকোর্টের আর দুরাইরাজ বনাম সীতালক্ষ্মী আম্নালের মামলায় রায়দানের কথা তুলে ধরেন। যেখানে বলা হয়েছিল ভরণপোষণের মধ্যে বিবাহের খরচও থাকবে। সেই কারণইে পারিবারিক আদালতে তরফে আবেদনটি বাতিল করা উচিত হয়নি বলেও মন্তব্য করা হয়েছিল আবেদনকারীর তরফে।

পারিবারিক আদালতের নির্দেশের ওপরে স্থগিতাদেশ
এর প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের তরফে আইনের ২০(৩) আলোচনা করা হয়। যেখানে বয়স্ক কিংবা দুর্বল বাবা-মায়ের ভরণপোষণের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও সেখানে অবিবাহিত কন্যার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এর ওপরে ভিত্তি করেই বেঞ্চের তরফে বলা হয় অবিবাহিত কন্যা আবেদন বাতিল করা যাবে না। সেই কারণে পারিবারিক আদালতের নির্দেশের ওপরে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মামলাটিকে ফের পারিবারিক আদালতের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাবা-মাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ২৫ এপ্রিল সেখানে হাজিরা দেওয়ার জন্য।












Click it and Unblock the Notifications