Chhattisgarh Conflict: শিয়রে ভোট, দলের দ্বন্দ্ব মেটাতে ছত্তিশগড় কোন পদক্ষেপ করল কংগ্রেস
ছত্তিশগড় নিয়ে বেশ বেকায়দায় পড়েছে কংগ্রেস। দলের অন্দরেই মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলকে নিয়ে দলের অন্দরেই বিদ্রোহ দানা বেঁধেছিল। এতোদিন বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ভোট যত এগিয়ে আসছে তত বিদ্রোহ সুর চড়ছিল। সেই বিদ্রোহ প্রশমনে এবার নতুন পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন খাড়গে।
উত্তরপ্রদেশে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে টিএস সিং দেওকে। চলতি বছরের শীতেই ছত্তিশগড়ে বিধানসভা নির্বাচন। তার মাঝেই হঠাৎ করে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে টিএস সিং দেওকে বসানো নিয়ে যে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু বিধানসভা ভোটের আগে দলের অন্দরের দ্বন্দ্ব মেটাতে এছাড়া কোনও উপায়ও ছিল না খাড়গের কাছে।

গতকাল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা এই সিদ্ধান্তে আসার আগে দীর্ঘ ২ ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন। সেই ৈবঠকে মল্লিকার্জুন খাড়গে ছাড়াও ছিলেন রাহুল গান্ধী, কেসি ভেনুগোপাল, ভূপেশ বাঘেল, টিএস সিং দেও, এবং কুমারী শৈলজা। টিএস সিং দেওকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোয় ছত্তিশগড়ে ক্ষমতা ধরে রাখা অনেকটাই সহজ হবে কংগ্রেসের পক্ষে এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
প্রথম থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন টিএস সিং দেও। ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের জয়ের পর তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী না করে ভূপেশ বাঘেলকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্ত প্রাথমিক ভাবে মেনে নিলেও মন থেকে একেবারেই মেনে নিতে পারেননি তিনি। সেই কারণেই বারবার ভূপেশ বাঘেলের বিরুদ্ধে হাইকমান্ডের কাছে নালিশ জানিয়েছেন তিনি।

তারই প্রতাবাদে পঞ্চায়েত দফতরের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। তবে স্বাস্থ্য দফতর নিজের হাতেই রেখেছিলেন কেপি সিং দেও। পঞ্চায়েত দফতর থেকে তাঁর এই পদত্যাগই বার্তা দিয়েছিল তার ক্ষোভ নিয়ে। তারপরে আবার সচিন পাইলটের সমর্থনেও প্রকাশ্যে কথা বলেছিলেন তিনি। তাপরেই নড়ে চড়ে বসে কংগ্রেস নেতৃত্ব। কর্নাটকের বিধানসভা ভোটের পর কংগ্রেসের কাছে ছত্তিশগড় এবং রাজস্থান একটা বড় চ্যালেঞ্জ তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ দুই রাজ্যেই দলের অন্দরেই প্রবল বিদ্রোহ রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications