এনআরসি বাস্তবায়িত হলে ছত্তিশগড়ের অর্ধেক মানুষ নাগরিকত্ব হারাবে, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল
নাগরিকপঞ্জী যদি বাস্তবায়িত হব তবে তাঁর রাজ্যের অধিকাংশ বাসিন্দাই তাঁদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারবেন না। কারণ তাঁদের কাছে না আছে জমি আর না আছে জমির দলিল। জানালেন ছত্তিশগড় মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল।

মুখ্যমন্ত্রী এও জানিয়েছেন যে ছত্তিশগড়ের আধা বাসিন্দাদের কাছে ভারতের নাগরিকত্বের কোনও প্রমাণ নেই, কারণ তাঁদের উত্তরসূরীরা অশিক্ষিত ছিলেন এবং তাঁরা বিভিন্ন গ্রাম বা অন্য রাজ্য থেকে শরণার্থী হয়ে এখানে এসেছেন। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের সামনে বাঘেল জানান, ১৯০৬ সালে আফ্রিকাতে ব্রিটিশদের সনাক্তকরণ প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী, তিনি নাগরিকপঞ্জী মহড়ার ক্ষেত্রেও বিরোধিতা করতেন। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয় যে যদি এনআরসি বাস্তবায়িত হয় তবে মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে তাঁদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে। এ প্রসঙ্গে বাঘেল বলেন, 'প্রকৃতপক্ষে আমাদের ভারতীয় তা প্রমাণ করতে হবে।’ যারা নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারবে না, তাদের কি এ রাজ্যে স্থান দেওয়া হবে? জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'ছত্তিশগড়ে ২.৮০ কোটি মানুষের বাস এবং তাদের মধ্যে অধিকাংশই নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারবে না। তাদের না আছে জমি না আছে জমির দলিল। তাদের উত্তরসূরিরাও ছিলেন অশিক্ষিত। বেশিরভাগই অন্য রাজ্য বা গ্রাম থেকে শরণার্থী হিসাবে এসেছিলেন। কোথা থেকে তাঁরা এখন ৫০–১০০ বছরের নথি জোগাড় করে নিয়ে আসবে।’
ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এটা মানুষের ওপর অপ্রয়োজনীয় বোঝা। আমাদের বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে যারা দেশে অনুপ্রবেশকারী প্রবেশ করছে কিনা তা দেখবে। ওই সংস্থারাই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে। কিন্তু কেন্দ্র কিভাবে সাধারণ মানুষদের হেনস্থা করতে পারে।’












Click it and Unblock the Notifications