একাই ৫০জন মহিলাকে ধর্ষণ করে ভিডিও বানিয়ে গ্রেফতার, কীভাবে পুলিশের হাতে এল দুর্ধর্ষ অপরাধী
চেন্নাই থেকে এমনই এক ব্যক্তিকে চুরি ও ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর শুধু একটি ধর্ষণ নয়, একাধিক ধর্ষণের সঙ্গে এই ব্যক্তি জড়িত বলে পুলিশ দাবি করছে।
বয়স মাত্র ২৮। পেশায় সফটওয়্যার কোম্পানির কর্মী। চেন্নাই থেকে এমনই এক ব্যক্তিকে চুরি ও ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর শুধু একটি ধর্ষণ নয়, একাধিক ধর্ষণের সঙ্গে এই ব্যক্তি জড়িত বলে পুলিশ দাবি করছে।

পুলিশের মতে চেন্নাইয়ে অন্তত ৫০জন মহিলাকে ধর্ষণ করেছে অভিযুক্ত এই ব্যক্তি। তাদের ভিডিও-ও বানিয়েছে। অভিযুক্তের নাম মাধন আরিভালাগন। সে কৃষ্ণগিরি জেলার মাতুরের বাসিন্দা।
তাকে একটি ঘটনায় পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে জেরা করে। ধৃতের মোবাইল ফোন তল্লাশি চালাতেই সামনে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। একের পর এক ভিডিও ফাঁস হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মহিলাদের যৌন নির্যাতন করেছে আরিভালাগন। নিজের ফোনেই সেই কীর্তি ভিডিও করত সে। পরে সেই ফুটেজ দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে একই মহিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে সে।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বাকী এতগুলি ধর্ষণের মামলাতেও ধীরে ধীরে অভিযোগ জমা পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। আবার কোনও কোনও মহিলা এগিয়ে এসে এই ঘটনা নাও জানাতে পারেন।
গ্রেফতার হওয়া ধর্ষণে অভিযুক্ত অঙ্কে স্নাতক। বেঙ্গালুরুর একটি সফটওয়্যার সংস্থায় সে কাজ করত। পরে ২০১৫ সালে চেন্নাইয়ে চলে আসে। কাজের খোঁজে ঘুরে পরে ছিনতাই ও ডাকাতি শুরু করে আরিভালাগন। কোনও একটি বাড়িতে ডাকাতির সময় এক মহিলাকে যৌন হেনস্থা করে সে। পরে সেটাই অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়।
মহিলাদের একলা পেয়ে বাড়িতে ঢুকে গলার ছুরি ঠেকিয়ে যৌন হেনস্থা করত আরিভালাগন। কয়েকদিন আগে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তারপরই এতগুলি ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসে। পুলিশের দাবি, জেরায় দোষ স্বীকার করেছে এই অভিযুক্ত।












Click it and Unblock the Notifications