পরপর দশদিন বাড়ল পেট্রোল ডিজেলের দাম! একনজরে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কোন শহরে কত
পরপর দশদিন পেট্রোল ও ডিজেলের (petrol and diesel price hike) মূল্যবৃদ্ধি। এদিনের মূল্যবৃদ্ধি আগেকার সব রেকর্ডকেই ছাঁপিয়ে গিয়েছে। এদিন কলকাতায় পেট্রোল ও ডিজেলের (petrol and diesel) দামে যথাত্রমে ৩৩ ও ৩২ পয়সা বৃদ্ধি হয়েছ
পরপর দশদিন পেট্রোল ও ডিজেলের (petrol and diesel price hike) মূল্যবৃদ্ধি। এদিনের মূল্যবৃদ্ধি আগেকার সব রেকর্ডকেই ছাঁপিয়ে গিয়েছে। এদিন কলকাতায় পেট্রোল ও ডিজেলের (petrol and diesel) দামে যথাত্রমে ৩৩ ও ৩২ পয়সা বৃদ্ধি হয়েছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি ৩৩ ও ৩২ পয়সা মূল্যবৃদ্ধি
এদিন সকালে পেট্রোল ও ডিজেল-এ যথাক্রমে ৩৩ ও ৩২ পয়সা করে মূল্য বৃদ্ধি করে দেশের তেল সংস্থাগুলি। এনিয়ে পরপর দশদিন রাষ্ট্রায়ত্ত তেলসংস্থাগুলি যেমন ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে।

দেশের চার বড় শহরে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম
মূল্যবৃদ্ধির পর দিল্লিতে এদিন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৯.৮৮ পয়সা এবং ৮০. ২৭ টাকা। মুম্বইতে ৯৬.৩২ টাকা এবং ৮৭. ৩২ টাকা। চেন্নাইতে ৯১. ৯৮ এবং ৮৫.৩১টাকা , কলকাতায় ৯১. ১১, টাকা এবং ৮৩. ৮৬ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যের ওপরে ভিত্তি করে প্রতিদিনই তেলের মূল্য পরিবর্তিত হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে তেলের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে বুধবারেও তেলের দাম বেড়েছে। আমেরিকা তেলের উৎপাদন কমিয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরব আগামী দিনে তেলের উৎপাদন বাড়ানোর কথা চিন্তাভাবনা করছে। বুধবার ব্রেন্টে তেলের দাম ১.৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল পিছু গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.৩৪ ডলারে।

রাজ্যে রাজ্যে দাম ভিন্ন
ভারতের তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে ওপর ভিত্তি করে। তাই প্রতিদিন সেখানে মূল্যের পরিবর্তন হচ্ছে। এছাড়াও ডলার ও টাকার বিনিময় মূল্যের প্রভাবও তেলের দাম বৃদ্ধির ওপরে পড়ে। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যে তেলের ওপর বিভিন্ন রকমের কর ধার্য করা হয়েছে। রয়েছে কেন্দ্রের করও। দেখা গিয়েছে জ্বালানি তেলের ওপরে প্রায় ৬০ শতাংশ কর দিতে হয় দেশবাসীকে। তা কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির করের জন্যই। ইতিমধ্যে দেশের কোনও কোনও জায়গায় তেলের মূল্য লিটার পিছু ১০০ টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।
ওর আগে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সর্বোচ্চ রেকর্ডে পৌঁছে গিয়েছিল ২০১৮-র ৪ অক্টোবরে। সেই সময় কেন্দ্রের তরফে জ্বালানিতে লিটার পিছু এক্সাইজ ডিউটি ১.৫০ টাকা করে কমানো হয়েছিল। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলিও জ্বালানির মূল্য হ্রাস করেছিল লিটার পিছু ১ টাকা করে।
বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে পূর্বতম সরকারগুলিকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, আগেকার সরকারগুলি যদি আমদানি করা জ্বালানির ওপরে নির্ভরতা কমাতে ব্যবস্থা নিত তাহলে মধ্যবিত্তের ওপরে চাপ পড়ত না। তিনি বলেছেন, ভারত ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে দেশে প্রয়োজনের ৮৫ শতাংশ জ্বালানি তেল এবং ৫৩ শতাংশ গ্যাস আমদানি করেছে।












Click it and Unblock the Notifications