বিলাসপুর কাণ্ড: ওষুধে ছিল ইঁদুরের বিষে ব্যবহৃত রাসায়নিক

ল্যাবে ওষুধের পরীক্ষার পর জানা গিয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট সিপ্রোফ্লক্সেসিন ৫০০-এ জিঙ্ক ফসফাইড এর মতো ভেজালের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। এই জিঙ্ক ফসপাইড রাসায়নিকটি মূলত ইঁদুর মারার বিষে ব্যবহৃত হয়।
রায়পুরের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা মহাবর ফার্মা থেকে এই ওযুধটি প্রথম বাজেয়াপ্ত করা হয়, তারপর তা পরীক্ষার জন্য ল্যাব-এ পাঠানো হয়। বিলাসপুরের চিকিৎসকদের কথায়, জিঙ্ক ফসফাইড-এ মানব শরীরে যে ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, জন্মনিয়ন্ত্রক শিবিরে অস্ত্রোপচাররে পর অসুস্থ মহিলাদের মধ্যে সেই একই লক্ষণ দেখা গিয়েছিল।
অস্ত্রোপচারের পর রোগীনিদের বমি বমি ভাব, প্রচন্ড বমি, তলপেটে ব্যাথার কথা জানিয়েছিলেন। যে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের কারও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, কারও বা কিডনি কাজ বন্ধ করে দেওয়া বা শ্বাসযন্ত্র কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কথায়, "এধরণের রাসায়নিকের ফলই হল উচ্চ মৃত্যুহার"।
বিলাসপুরের কমিশনার সোনমনি বোরা জানিয়েছেন, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই ধরণের ৪৩ লক্ষ ওষুধ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এই সবকটি ওষুধই মহাবর ফার্মার। এই ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার অধিকর্তা রমেশ মহাবর এবং তার ছেলে সুমিতকে গ্রেফতার করেছে রায়পুর থানার পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications