Chandrayaan 3: তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য নিয়ে ইসরোর তৃতীয় চাঁদের পাহাড় অভিযান
প্রতীক্ষার প্রহর গোনা শুরু হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় এক ঐতিহাসিক দিন। ইসরোর চাঁদের পাহাড় অভিযান। চন্দ্রযান ৩ পাড়ি দিচ্ছে শ্রীহরিকোটার স্পেস সেন্টার থেকে।
অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার বাড়তি সতর্ক ইসরো। যাতে কোনও রকম বিপত্তি না ঘটে বা অতীতের পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য চন্দ্রযান ৩-এর তৈরির সময় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

মূলত তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে চন্দ্রযান ৩-এর মিশনে নেমেছে ইসরো। এক, চন্দ্রযান ৩-কে চাঁদের মাটিতে নিরাপদ এবং সফলভাবে অবতরণ করানো। যা চন্দ্রযান ২-এর ক্ষেত্রে হয়নি। অতিরিক্ত চাপ এবং গতিই বিপদ ডেকে এনেছিল। দুই চন্দ্রযান ৩-র মূল কাজ হবে চন্দ্রপৃষ্ঠের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। সেখান থেকে যাবতীয় তথ্য পাঠানো। পাশাপাশি চাঁদের মাটিতে একটি রোভার অপারেশন করাও এই মিশনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
চাঁদে পাড়ি দেওয়ার আগে তাদের মহাকাশযান ধারণকারী পেলোড ফেয়ারিংকে জিওসিঙ্ক্রোনাস লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক থ্রি-র সঙ্গে জুড়ে নিয়েছে 'ইসরো'। ভারতের সবচেয়ে ভারী রকেটের সঙ্গে পেলোড ফেয়ারিংয়ের জুড়ে দেওয়ার কাজটি শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারেই করা হয়েছে।

চাঁদের দক্ষিণ পৃষ্ঠে আঁধার অঞ্চলে অবতরণ করবে চন্দ্রযান-৩। এই অঞ্চল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়নি অন্য কোনও দেশ। চাঁদের এই অঞ্চলের গঠন, তাপমাত্রা নিয়ে, আবহাওয়া নিয়ে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে চন্দ্রযান-৩।
চন্দ্রযান-২-এর ব্যর্থতা ভুলে চন্দ্রযান ৩ ইতিহাস লিখতে চাইছে।ইসরো এবার সাফল্য আনতে কোমর বেঁধেছে। চন্দ্র মিশনকে সাফল্যের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে আগেভাগে সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছে ইসরো। এবার ইসরো ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মহাকাশ অর্থনীতির সুবিধা নিতে চায় ভারত। সেই লক্ষ্যেই এবার চন্দ্রযান-৩ পাড়ি দিচ্ছে চাঁদের উদ্দেশে।

চন্দ্রযান-৩ মিশন সফল হলে ভারত চতুর্থ দেশ হবে। এর আগে চাঁদের মহাকাশযান নামানোর চেষ্টা করেছিল আমেরিকা, রাশিয়া, চিন ও ইজরায়েল। ইজরায়েল ছাড়া রাশিয়া, আমেরিকা, চিন সফল হয়েছে। চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করলে চতুর্থ দেশ হিসেবে তালিকায় নাম তুলে নেবে ভারত।












Click it and Unblock the Notifications