Chandrayaan 3: ISRO-র কঠোর পরিশ্রমের ফল, কেন চাঁদের দক্ষিণ মেরুই টার্গেট ব্যাখ্যা দিলেন বিজ্ঞানী
চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) চাঁদের দক্ষিণ গোলার্ধে পা রাখতে পারলে ইতিহাস গড়বে ভারত। এর আগে কোনও দেশ চাঁদের দক্ষিণ গোলার্ধে পা রাখতে পারেনি। কাজেই ইসরোর (ISRO) এই পরিশ্রমকে অস্বীকার করতে পারেন না ঈশ্বরও। এমনই দাবি করেছেন ইসরোর প্রাক্তন প্রধান জি মাধবন নায়া।
আর কয়েক ঘণ্টারক অপেক্ষা তার পরেই চাঁদের মাটিতে পা রাখবে ভারতের চন্দ্রযান-৩। কয়েকদিন আগেই রাশিয়ার লুনা-২৫ ব্যর্থ হয়েছে সেই টার্গেট পূরণ করতে। চাঁদে অবতরণের কয়েক সেকেন্ড আগেই ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছে লুনার-২৫। ঠিক যেমন দশা হয়েছিল চন্দ্রযান-২র। তাই চন্দ্রযান-৩র প্রতিটি পদক্ষেপের উপর নজর রাখছে গোটা বিশ্ব।

চন্দ্রযান-৩ নিয়ে চাঁদ অভিযানের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব ইসরোর প্রাক্তন প্রধান ভারতীয় মহাকাশ গবেষনা সংস্থাকে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা যেভাবে দিনরাত এক করে চাঁদ অভিযানের জন্য চন্দ্রযানকে প্রস্তুত করেছে তা অস্বীকার করতে পারবেন না ভগবানও। এতোটাই কঠিন পরিশ্রম করে চলেছেন তাঁরা। আজ তাঁদের আরও বড় পরীক্ষা।
চাঁদের সাউথ পোলে অবতরণ করার কথা চন্দ্রযান-৩। চাঁদের এই দিকটি একেবারেই অজানা গোটা বিশ্বের কাছে। কারণ এই দিকটি পৃথিবীর দিকে থাকে না। এই চাঁদের এই দিকটি অধিকাংশ সময় অন্ধকারে ডুবে থাকে। অছত এই সাউথ পোলেই রয়েছে হিলিয়ান থ্রি নামক দামি খনিজ। সেই খনিজের সন্ধান পেতেই গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চাঁদে অভিযান শুরু করে দিয়েছেন। ভারকত এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চাঁদে অভিযান চালাচ্ছে। প্রথমবার ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয়বার ব্যর্থ হবে না বলেই আশাবাদী ইসোর বিজ্ঞানীরা।
চাঁদের দক্ষিণ গোলার্ধ বা সাউথ পোলে মূলত জল আ হিলিয়াম থ্রির সন্ধান করতেই যাচ্ছে চন্দ্রযান-৩। বিক্রম ল্যান্ডার আবতরণ করার পর রোভার চাঁদের মাটিতে নেমে জল আর খনিজের সন্ধান চালাবে। কোনও রকম বর্জ্য ছাড়াই বিপুল পরিমানে শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম এই হিলিয়াম থ্রি। সেই খনিজের সন্ধানেই গোটা বিশ্ব এখন চাঁদের দক্ষিণ পোল টার্গেট করেই চাঁদ অভিযানের এতো তোরজোর গোটা বিশ্বের।
২০০৮ সাল থেকে চাঁদের সাউথ পোলে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরো। চন্দ্রযান-১ এবং চন্দ্রযান-২ চাঁদের দক্ষিণ পৃষ্ঠে অবতরণ করতে না পারলেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তারা দিয়েছে। তাছাড়া পর পর দুবার চাঁদ অভিযানের পর নিজেদের ভুল ভ্রান্তি শুধরে নিয়ে চন্দ্রযান-৩ চাঁদে পাঠিয়েছে ইসরো। কাজেই এবার আগের ভুল হবে না সেকারণেই সফট ল্যান্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরো। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications