Chandrayaan-3: প্রতীক্ষার প্রহর গোনা শুরু, সম্পন্ন উৎক্ষেপণ মহড়াও
প্রতীক্ষার প্রহর গোনা শুরু চন্দ্রযান ৩-এর। ইসরো চন্দ্রযান থ্রি মিশন উৎক্ষেপণ হবে ১৪ জুলাই। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান সেন্টার থেকে তা পাড়ি দেবে চাঁদের উদ্দেশে। মঙ্গলবার উৎক্ষেপণের মহড়াও সমাপ্ত হল (launch rehearsal)। মঙ্গলবার ইসরোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে চন্দ্রযান ৩-এর যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার ইসরোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, 'চন্দ্রযান ৩ মিশনের উৎক্ষেপণ মহড়া সম্পন্ন হয়েছে এবং উৎক্ষেপনের জন্য যাবতীয় প্রক্রিয়া গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাপ্ত হয়েছে।'

জিএসএলবি হেভি-লিফ্ট লঞ্চ ভেহিকেল ব্যবহার করে এই উৎক্ষেপণের প্রহর গোনা শুরু হয়ে গিয়েছে। শুধু ১৪ জুলাই দুপুর আড়াইটের অপেক্ষা। ইতিমধ্যেই চন্দ্রযানের যাবতীয় কাজকর্ম সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার বাড়তি সতর্ক ইসরো। যাতে কোনও রকম বিপত্তি না ঘটে বা অতীতের পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য চন্দ্রযান ৩-এর তৈরির সময় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তথা ইসরো প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, "ব্যর্থতার থেকে শিক্ষা নিয়েই চন্দ্রযান-৩-এর নকশা নির্মিত হয়েছে"। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "খুব সংক্ষেপে বলতে গেলে বলা যায় চন্দ্রযান-২ খুব কম পরিমাণেই আলোর তীব্রতা সহ্য় করতে সক্ষম ছিল। আঘাত সইবার ক্ষমতাও ছিল কম। আমরা বিষয়টিকে মাথায় রেখে চন্দ্রযান-৩-কে তৈরি করেছি। চন্দ্রযান-২-এর নকশায় কী কী ভুল ছিল সেগুলিকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।.

চন্দ্রযান-২-এর ব্যর্থতা ভুলে চন্দ্রযান ৩ ইতিহাস লিখতে চাইছে।ইসরো এবার সাফল্য আনতে কোমর বেঁধেছে। চন্দ্র মিশনকে সাফল্যের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে আগেভাগে সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছে ইসরো। এবার ইসরো ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মহাকাশ অর্থনীতির সুবিধা নিতে চায় ভারত। সেই লক্ষ্যেই এবার চন্দ্রযান-৩ পাড়ি দিচ্ছে চাঁদের উদ্দেশে।

১৪ জুলাই দুপুর ২টো বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ উৎক্ষেপণ করা হবে চন্দ্রযান-৩-কে। আশা করা হচ্ছে চাঁদের বুকে সেটি অবতরণ করবে ২৩ থেকে ২৪ অগাস্টের মধ্যে।












Click it and Unblock the Notifications