Chandrayaan 3: আগামীকাল চাঁদের মাটি স্পর্শ করবে চন্দ্রযান-৩, তারপর কী করবে ল্যান্ডার আর রোভার জানেন?
এখনও পর্যন্ত সব ঠিক আছে। চাঁদের মাটিতে আগামীকাল সন্ধে ৬টার পরেই অবতরণ করতে চলেছে চন্দ্রযান-৩। এখনও পর্যন্ত পরিকল্পনা মতোই চলছে চন্দ্রযান-৩। তার সাফল্য কামনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে পুজো, যজ্ঞ। রাজনৈতিক দলের সব নেতারাই চন্দ্রযান-৩র সাফল্য কামনা করেছেন।
এদিকে ইসরোর অনেক বিজ্ঞানী আবার উদ্বেগের কথাও শুনিয়েছেন। অনেকে বলেেছন গতি নিয়ন্ত্রণ করা না হলে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়তে পারে চন্দ্রযান-৩। কারণ যে গতিতে এখন চলছে তাতে চাঁদের মাধ্যকর্ষণ শক্তির মধ্যে চলে এলে সেই গতি কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। তখনণ বিপদ তৈরি হবে। আবার ইসরোর আরেক বিজ্ঞানী বলেছেন আগামীকাল চাঁদের মাটিতে অবতরণ নাও করতে পারে চন্দ্রযান-৩।

কারণ কোনও রকম প্রতিকূল পরিস্থিতির ঝুঁকি ইসরো নেবে না। সেকারণে হয়তো ২৬-২৭ তারিখেও চাঁদের মাটিতে অবতরণ করানো হতে পারে চন্দ্রযান-৩র। যদিও ইসরোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সন্ধে ৬টার পরেই চাঁদের মাটিতে নামবে চন্দ্রযান-৩। কিন্তু চাঁদের মাটি ছোঁয়ার পরেই কাজ শেষ। নাকি আরও কোনও কাজ রয়েছে। চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযান-৩ পৌঁছনোর পরও অনেক কাজ রয়েছে।
চন্দ্রযান-৩র চাঁদের মাটি ছোঁয়া অর্ধেক কাজ। তার পর বাকি অর্ধেক কাজ রয়েছে। আসল কাজ তারপরেই শুরু হবে ইসরোর। চাঁদের গোটা একটি দিন লেগে যাবে চন্দ্রযান থেকে রোভারের কাজ করতে। যেটা পৃথিবীর ১৪ দিন। অর্থাৎ আমাদের সময় ধরলে চাঁদের মাটি স্পর্শ করার পর রোভারকে সক্রিয় করতে ১৪ দিন সময় লাগবে ইসরোর।
চাঁদের মাটি ছোঁয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রম ল্যান্ডারের আনফোল্ডিং প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। তারপরে প্রজ্ঞান রোভারের ব়্যাম্প তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর তিন চাকা নিয়ে নেমে আসবে ল্যান্ডার রোভার। যেটি তেরঙ্গা দিয়ে রাঙানো আর তাতে ইসরোর এমব্লেম রয়েছে। চাঁদের পিঠে সেটি সেকেন্ডে ১ সেন্টি মিটার গতিতে ঘুরে বেড়াবে। এবং নেভিগেশন ক্যামেরা দিয়ে চাঁদের পিঠের সব ছবি তুলবে এই বক্রিম ল্যান্ডার। প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে সেটি চাঁদের মাটির বিভিন্ন দিক পরীক্ষা করে দেখবে। একমাত্র রোভারই সরাসরি চাঁদের সঙ্গে সংযোগে থাকবে এবং সরাসরি পৃথিবীতে যাবতীয় তথ্য পাঠাবে। একই সঙ্গে চাঁদের বিভিন্ন অবস্থার খবর পাঠাতে থাকবে চন্দ্রযান-২ও।












Click it and Unblock the Notifications