Champai Soren: ঝাড়খণ্ডে শক্তি বাড়ছে বিজেপির, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই যোগ দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরে
Champai Soren: জল্পনার অবসান। ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে। চলতি মাসের ৩০ তারিখ রাঁচিতেই হবে যোগদান-পর্ব।
ইতিমধ্যেই চম্পাই দিল্লিতে দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। সেই ছবি এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ডে দলের কো-ইনচার্জ হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজধানীতে যাতায়াত করছিলেন চম্পাই। তবে সেটা ব্যক্তিগত কারণেই বলে জানিয়ে আসছিলেন। রাজনীতি থেকে অবসর না নিয়ে দলবদলের আভাসও দিচ্ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। অবশেষে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই সিনিয়র নেতা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন।
আপাতত চম্পাই ও তাঁর পুত্র রাঁচিতে বিজেপির দফতরে গিয়ে গেরুয়া পতাকা ধরবেন। তার সঙ্গে অন্য কোনও বিধায়ক বা নেতা বিজেপিতে যোগদান করবেন কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। চম্পাই আদিবাসী সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। ফলে তার বিজেপিতে যোগদান গেরুয়া শিবিরকে লাভবানই করবে বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত।
বিজেপিতে যোগদানের জন্য চম্পাই কোনও শর্ত দেননি বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর যোগদানে বিজেপির ঝুলিতে উপজাতি ভোট অনেকটাই আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন না, হেমন্ত সোরেন গ্রেফতার হওয়ায় সহানুভূতির হাওয়ায় উপজাতিদের ভোট পেয়েছিল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। যার ফলে অর্জুন মুণ্ডাও জিততে পারেননি।
৬৭ বছরের চম্পাইকে স্বাগত জানিয়ে লোকসভার সাংসদ নিশিকান্ত দুবে বলেছেন, চম্পাই সোরেনের বিজেপিতে যোগদান জেএমএমের শেষের শুরুর সূচনা করল। আলাদা রাজ্যের দাবি তুলে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার উত্থান, আর এখন সেই দল ক্ষমতার দালালদের করায়ত্ত।
ইডি হেমন্ত সোরেনকে গ্রেফতার করার পর চম্পাইকে গত ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল। যদিও জুলাইয়ে হেমন্ত জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর চম্পাইকে পদত্যাগ করতে হয়। ফের মুখ্যমন্ত্রী হন হেমন্ত সোরেন। চম্পাই সোরেনকে ঝাড়খণ্ডের রাজনীতির টাইগার বলা হয়। তাঁর দাবি, শিবু সোরেনের সক্রিয় রাজনীতিতে না থাকাই জেএমএমকে পতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনও তাঁকে বেশ কিছু পদক্ষেপ করতে দেওয়া হয়নি বলে জানান চম্পাই। কারণ, ক্ষমতা ছিল অন্যের হাতে। বারবার অপমানের ফলে তিনটি পথ খোলা ছিল। রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানো, নিজের দল গড়া বা অন্য কারও হাত ধরা যাতে মানুষের জন্য কাজ করা যায়। তৃতীয় বিকল্পটিই বেছে নিলেন চম্পাই। এখন দেখার তাঁর এই সিদ্ধান্ত জেএমএমে কতটা ভাঙন ধরাতে পারে। ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিই কোন অভিমুখে ধাবিত হয়।












Click it and Unblock the Notifications