মোদীকে লেখা মমতার চিঠিতে ভুল তথ্য, গাফিলতি ধামাচাপার চেষ্টা! দাবি কেন্দ্রের
Mamata Banerjee: ধর্ষণ-বিরোধী কঠোর আইন প্রণয়নের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে গতকালই দ্বিতীয়বার চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েক ঘণ্টাতেই এলো চিঠির জবাব।
তবে মোদী নন, মমতাকে চিঠি লিখলেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। তাঁর দাবি, মমতার দাবিতে তথ্যের যেমন ভুল রয়েছে, তেমনই গাফিলতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাও পরিলক্ষিত হচ্ছে।

অন্নপূর্ণা দেবী লিখেছেন, মমতার চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে ৮৮টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট চালুর কথা। কিন্তু ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট আর ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশ্যাল কোর্ট এক নয়। ধর্ষণ ও পসকো সংক্রান্ত অপরাধের বিচার ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশ্যাল কোর্টে করা যায়। যদিও পশ্চিমবঙ্গে ১১টি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশ্যাল কোর্ট চালুই হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে চলতি বছরের ৩০ জুন অবধি ৮১,১৪১টি মামলা পড়ে রয়েছে। ধর্ষণ ও পসকো মামলা পড়ে রয়েছে ৪৮,৬০০টি। যদি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশ্যাল কোর্ট চালু থাকতো তাহলে পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো হতো বলে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এফটিএসসি চালু করার বিষয়ে দেরির বিষয়টি চাপা দিতে মমতা অন্যদিকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি কেন্দ্রের।
महिलाओं को सशक्त बनाना और उन्हें सुरक्षित वातावरण प्रदान करना भारत सरकार की सर्वोच्च प्राथमिकता है। सरकार महिला सुरक्षा के प्रति पूर्णतः समर्पित है और इसे अपनी प्रमुख जिम्मेदारी मानती है। (1/2) ...@narendramodi | @MamataOfficial pic.twitter.com/zKNa1AzNyN
— Annapurna Devi (@Annapurna4BJP) August 30, 2024
ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশ্যাল কোর্টে স্থায়ী বিচারবিভাগীয় অফিসার নিয়োগের যে প্রয়োজনীয়তার কথা মমতা উল্লেখ করেছেন তাতে সহমত পোষণ করেনি কেন্দ্র। এই বিষয়টি গত বছরই স্পষ্ট করা হয়েছিল বলে জানান অন্নপূর্ণা। গাইডলাইন অনুযায়ী, একজন জুডিসিয়াল অফিসার আরও সাতজনকে নিয়ে এফটিএসসি কোর্টে ধর্ষণ ও পসকো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারেন। তবে স্থায়ী পদ হয় না। তাঁদের নিয়োগ চুক্তিভিত্তিক হয়।
মমতা যে ধর্ষণ-বিরোধী কঠোর আইনের দাবি করেছেন, সে প্রসঙ্গে অন্নপূর্ণা জানিয়েছেন, এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় কঠিন শাস্তির উল্লেখই রয়েছে। অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী, ১০ বছরের ন্যূনতম কারাবাস থেকে শুরু করে আজীবন কারাদণ্ড কিংবা মৃত্যুদণ্ডের বিধি রয়েছে।
অন্নপূর্ণা দেবী জানিয়েছেন, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতায় ধর্ষণের মামলায় ফরেন্সিক পরীক্ষা-সহ তদন্তের জন্য এফআইএর দায়েরের সময় থেকে ২ মাসের সময়সীমা ধার্য রয়েছে। চার্জশিট দাখিলের ২ মাসের মধ্যে ট্রায়াল শেষের কথাও বলা রয়েছে।
সর্বোপরি, অন্নপূর্ণা দেবীর চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, মহিলাদের উপর হিংসা ও অপরাধের ঘটনায় কেন্দ্র যথেষ্টই কঠোর। রাজ্যগুলি যদি সংবিধান ও আইন মেনে চলে তাহলে অপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া যে মজবুত হবে, তাতে সংশয় নেই। তাতে অপরাধীরা তাদের অপরাধের নিরিখে যেমন শাস্তি পাবে, তেমনই নির্যাতিতাদের ন্যায়বিচার দেওয়াও সম্ভব।












Click it and Unblock the Notifications