করোনায় মৃত্যুর ক্ষতিপূরণের জন্য তদন্তের অনুমতি চাইল কেন্দ্র
করোনায় মৃত্যুর ক্ষতিপূরণের জন্য তদন্তের অনুমতি চাইল কেন্দ্র
একটি আবেদনে, কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার উভয়ই কোভিড -১৯ ক্ষতিপূরণের অর্থের জন্য জাল/জাল দাবি জমা দেওয়ার বিষয়ে রিপোর্ট পেয়েছে। তাই কেন্দ্র আদালতকে এই ধরনের ঘটনার তদন্তের অনুমতি দিতে বলেছে।

কেন্দ্রীয় সরকার আদালতের আদেশ চেয়েছিল "যেকোনও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে প্রাক অনুগ্রহ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত দাবিকৃত নথিগুলি যাচাই করার জন্য একটি নমুনা যাচাই করার অনুমতি দেওয়া এবং তারপরে পদক্ষেপ নেওয়া"। গত বছরের জুনে, সুপ্রিম কোর্ট একটি আদেশ দিয়েছিল যে কোভিড -১৯ এর কারণে যারা মারা গিয়েছে তাদের পরিবারকে অবশ্যই ৫০০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মার্চ মাসের শুরুতে, সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল যে এটি দ্রুত অর্থপ্রদানের জন্য তার নির্দেশের অপব্যবহার হতে দেবে না। সলিসিটর জেনারেলের দ্বারা জাল নথির বিষয়টি তুলে ধরার পরে এটি সামনে এসেছিল। আদালত বলেছিল, 'আমাদের আদেশ কারও দ্বারা অপব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এটি একজন প্রকৃত ব্যক্তির দাবিকে বঞ্চিত করার সমান।'
সরকার তার আবেদনে বলেছে, 'কেন্দ্র ক্ষতিপূরণ দাবি করার জন্য কোভিড -১৯-এ পরিবারের একজন সদস্যের মৃত্যুর চার সপ্তাহের সময়সীমা নিষ্পত্তি করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আদেশও চেয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় যাদের পরিবারের সদস্যরা মারা গিয়েছেন, ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে দায়ের করা আবেদনগুলি ক্ষতিপূরণ পেতে হবে; জুনের পরে মৃত্যুর জন্য, মৃত্যুর পরে চার সপ্তাহের সময়সীমা ক্ষতিপূরণ দাবি ফাইল করার জন্য কাট-অফ হওয়া উচিত ।'
'এরই মধ্যে দেশে কোভিড মহামারী কমে গিয়েছে। যেহেতু ক্ষতিপূরণের দাবির বিষয়ে জুনে এবং তারপরে নভেম্বরে আদেশ পাস করা হয়েছিল, এখন পর্যন্ত সমস্ত প্রকৃত দাবিদার অবশ্যই তাদের দাবি প্রতিষ্ঠা করে কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে। সরকারের আবেদন বলে, কোনও বাহ্যিক সীমা ছাড়াই এই প্রক্রিয়াটি চালিয়ে যাওয়া বাঞ্ছনীয় হতে পারে না," ।
এদিকে এই ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট BA.2 হানা দিয়েছে ইজরায়েলে। তবে দেশের করোনা সংক্রমণ মোটের উপরে নিম্নমুখী রয়েছে। গত ২ মাস ধরে ভারতের করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী। আশাজনক হারে কমতে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। কমছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও।
মুম্বই,দিল্লি, কেরল,কর্নাটকের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গে ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোভিড বিধি বাড়ানো হয়েছে। তবে দোলের কারণে কয়েকদিন নাইচ কার্ফুতে ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। প্রায় ২ বছর গোটা দেশে মানুষ স্বতোঃস্ফূর্ত হোলি খেলেছেন। দোকানে বাজারে ভিড় করে রং কিনেছেন। পাড়ায় পাড়ায় দোল খেলা হয়েছে। এদিকে আবার করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে ইজরায়েলে।
ওমিক্রনের দুটি ভ্যারিয়েন্টের মিশ্রণ এই BA.2 ভ্যারিয়েন্ট। এখনও পর্যন্ত গবেষকরা এর কোনও নাম দেয়নি। এদিকে শোনা যাচ্ছে মার্চ মাসেই ভারতে হানা দিতে পারে এই নতুন করোনা ভ্যারিয়েন্ট। এই নিয়ে ভারতকে সতর্ক করা হয়েছে। যেকোনও মুহূর্তে করোনা সংক্রমণ হু হু করে বাড়তে শুরু করবে ভারতে। এই ভ্যারিেন্টের হাত ধরেই ভারতে করোনা সংক্রমণের চতুর্থ ওয়েভ আসবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর আগে মে মাস থেকে করোনা সংক্রমণ শুরু হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছিল এদিকে চিনে এবং আমেরিকায় নতুন করে করোনা সংক্রমণ।
নতুন ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান মেলায় ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রক জেনম সিকোয়েন্সের উপরেই জোর দেওয়া হচ্ছে । যাতে সহজে করোনার ভ্যারিয়েন্ট চিহ্নিত করা যায় তার উপরে জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সেই সঙ্গে করোনা টিকাকরণের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। ১২ বছরের উর্ধ্বে শিশুদের করোনা টিকাকরণ শুরু হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications