ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে উত্তাল দেশ! ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা সরকারের মৌলিক কাজ, বলল কেন্দ্র
ফোনে আড়ি পাতছে ইজরায়েলের স্পাইঅ্যার পেগাসাস (Israeli spyware pegasus)! রবিবার ফোনে আড়ি পাতা নিয়ে বিস্ফোরক টুইট করেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। আর এরপরেই কার্যত সরব হতে শুরু করে বিরোধীরা। স্বামীকে টুইটকেই রিটুইট করে ডেরেক লে
ফোনে আড়ি পাতছে ইজরায়েলের স্পাইঅ্যার পেগাসাস (Israeli spyware pegasus)! রবিবার ফোনে আড়ি পাতা নিয়ে বিস্ফোরক টুইট করেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। আর এরপরেই কার্যত সরব হতে শুরু করে বিরোধীরা।
স্বামীকে টুইটকেই রিটুইট করে ডেরেক লেখেন, ফোনে আড়ি পাতার তালিকাতে রয়েছে বিরোধীরা।

আর এই সংবাদ প্রকাশ্যে আসতেই উত্তাল দেশ। প্রকাশিত খবরে কারোর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
প্রকাশিত তথ্যে দাবি করা হয়েছে, আইনজীবী, বিচারপতি, ব্যবসায়ী, সরকারি আধিকারিক, বিজ্ঞানী-সহ প্রায় ৩০০ ভারতীয়ের ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে। আর পরেই কেন্দ্রের তরফে এই বিষয়ে মুখ খোলা হল।
কেন্দ্রের দাবি, দেশের সমস্ত নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা সরকারের মৌলিক কাজ। শুধু তাই নয়, এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই বলেও দাবি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।
শুধু তাই নয়, যে সমস্ত মানুষের উপর সরকার নাকি নজরদারি চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে কেন্দ্র। গনতন্ত্রে বাক স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার! গোপনে কোনও নজরদারি না চালিয়ে, সাধারণের তথ্যের জন্য প্রকাশ্যে আদান-প্রদানে বিশ্বাসী।
এই বিষয়ে সরকারের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে যে, ২০১৯ সালে পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন বিল আনা হয়। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন আনা হয়েছে। ফলে এই খবর শুধুমাত্র কালিমালিপ্ত করার জন্য প্রকাশিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ কেন্দ্রের।
উল্লেখ্য, প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয়েছে যে এই তালিকায় রয়েছেন ৪০ জন সাংবাদিক, তিন বিরোধী নেতা, একজন সাংবিধানিক প্রধান, মোদী সরকারের দুজন বর্তমান মন্ত্রী। তবে ওই দুই মন্ত্রী কে বা কারা সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি বিস্তারিত ভাবে।
প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয়েছে যে, খুব শীঘ্রই নামগুলি সামনে নিয়ে আসা হবে। প্রকাশিত তথ্যে আরও দাবি করা হয়েছে, এই ফোন নম্বরগুলির মধ্যে একটি সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান এক বিচারপতির নামে রয়েছে। তবে সেই বিচারপতি ওই নম্বরটি বর্তমানে ব্যবহার করেন কিনা তা জানা জায়নি।
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এইসব ফোন নম্বরগুলিকে নিশানা করা হয়েছিল। যার চলে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত। তবে সব ফোন হ্যাক করা হয়েছিল কিনা তার কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।
যদিও ইজরায়েলের যে সংস্থা পেগাসাস বিক্রি করে, সেই এনএসও গ্রুপ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা দাবি করেছে, তারা এই স্পাইঅয়্যার শুধুমাত্র সরকারকেই দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারা মানহানির মামলার কথা বিবেচনা করছে বলেও জানিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications