সুপ্রিমকোর্টে মামলার জেরে ব্যাহত আলোচনা! কৃষক আন্দোলন থামাতে কী করবে সরকার?
১১ জানুয়ারি নয়া কৃষি আইন নিয়ে শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। আজ নয়া কৃষি আইনের বিরুদ্ধে হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানির সময়, প্রধান বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, 'বিক্ষোভকারী কৃষক ও সরকারের মধ্যে আলোচনা চললেও, তার কোনও ইতিবাচক ফল দেখা যাচ্ছে না।'

শীঘ্রই দুই তরফেই একটি সমাধান সূত্রে চলে আসবে
তবে, এদিন কেন্দ্রের তরফে অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল বলেন, 'খুব শীঘ্রই দুই তরফেই একটি সমাধান সূত্রে চলে আসবে। দু'পক্ষের আলোচনা সেই দিকেই এগোচ্ছে। তবে, এই মামলা শুরু হলে, দুপক্ষের মধ্যে চলা আলোচনা ব্যহত হতে পারে।'

১১ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য হয়েছে
প্রায় একই সুরে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে জানান, একটি সুস্থ পরিবেশে সরকার ও কৃষকদের আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ৮ জানুয়ারি দু'তরফের আলোচনায় যাতে বাধা না আসে সেই আবেদন করেন সলিসিটর জেনারেল। এর পরেই প্রধান বিচারপতি ৮ জানুয়ারি আন্দোলনকারী কৃষক ও সরকারের মধ্যে আলোচনার পর, ১১ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য করেন।

কৃষক ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে টানাপোড়েন
এদিকে নয়া কৃষি আইন নিয়ে কৃষক ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে টানাপোড়েন অব্যাহত। সোমবার আন্দোলনকারী কৃষকদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক ছিল কেন্দ্রের। সেই বৈঠকেও কোনও সমঝোতা সূত্র বের হয়নি। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার সেদিন ফের কৃষি আইনে কিছু সংশোধন করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু, সেই প্রস্তাব মানতে নারাজ আন্দোলনকারী কৃষকরা। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রের তরফে লাগু করা নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

কৃষকদের তরফে একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে
এদিকে রবিবারই আন্দোলনকারী কৃষকদের তরফে একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছিল। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে ওই কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা। যা চলবে আগামী ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। ওইদিন দিল্লিতে ট্রাক্টর প্যারেড করবেন কৃষকরা। ওইদিনই প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান হবে দিল্লিতে।












Click it and Unblock the Notifications