গালওয়ান সংঘর্ষ নিয়ে কোনও তদন্ত হয়নি, দাবি কেন্দ্রের! ফের লাদাখ ইস্যুতে দানা বাঁধছে বিতর্ক
কয়েকদিন আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এক নথি নিয়ে তোলপাড় হয় জাতীয় রাজনীতি। লাদাখ সম্পর্কিত সেই নথিতে উল্লেখিত ছিল কীভাবে চিন ভারতের বিরুদ্ধে আগ্রাসন দেখিয়ে জমি দখল করে। পরে সেই নথি মন্ত্রকের ওয়েবসাইট থেকে সরানো হয়। এবার ফের লাদাখ নিয়ে বিতর্ক। এবার গালয়ান সংঘর্ষের তদন্ত ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধছে। এদিনই এক সর্ব ভারতীয় ইংরেজি সংবাদপত্র দাবি করে যে গালওয়ান সংঘর্ষের তদন্তের বিষয়ে সেনা আদালত গঠন হয়েছে। তবে এবার সেই দাবিকে নস্যাৎ করা হল সেনার তরফে।

গালওয়ান সংঘর্ষ নিয়ে একটি সরকারি তদন্ত হচ্ছে!
এদিন রিপোর্ট প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছিল যে গালওয়ান সংঘর্ষ নিয়ে একটি সরকারি তদন্ত হয়। এই তদন্তের জন্য বিশেষ সেনা আদালত গঠিত হয় এবং এই তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন ১৫ কোর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিএস রাজু। তবে সেনার তরফে এই দাবি খারিজ করা হয়।

বিরোধীদের তরফে গালওয়ান সংঘর্ষ নিয়ে অভিযোগ
এর আগে বিরোধীদের তরফে একবার অভিযোগ উঠেছিল যে এই গালওয়ান সংঘর্ষ সেনার ইন্টেলিজেন্স ফেল করার জেরে হয়েছে কী না। কারণ এই হামলা পূর্ব পরিকল্পিত আখ্যা দেওয়া হয়েছিল সেনা ও কেন্দ্রের তরফে। তবে এনিয়ে বেশিদিন বিতর্ক চলেনি। কেন্দ্রের তরফে বিরোধীদের তোপ দেগে বলা হয়েছিল, সেনার উপর এহেন প্রশ্ন তুলে দেশের জওয়ানদের মনোবল ভাঙা হচ্ছে। যার পরে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়।

ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করেছে চিন?
এদিকে, ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করেছে চিন। এই দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে গত দুই মাসে ক্রমাগত আক্রমণ করে এসেছে কংগ্রেস। সেই আক্রমণে আরও ধার আনতে প্রতিরক্ষামন্ত্রকই রাহুল গান্ধীর হাতে হাতিহার তুলে দিয়েছিল একটি নথির মাধ্যমে। সেই নথিতে বকলমে মেনে নেওয়া হয়েছিল ভারতীয় ভূমিতে চিনা সেনার আগ্রাসন। পরে সেই নথি সরিয়ে দেয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক।

প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ওয়েবসাইটের রিপোর্ট ঘিরে বিতর্ক
সম্প্রতি ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ওয়েবসাইটে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয় লাদাখ সম্পর্কিত। তাতে মেনে নেওয়া হয় যে চিন ভারতীয় ভূখণ্ড দকল করেছে। সেই স্বীকারোক্তিমূলক রিপোর্টকে উদ্ধৃত করেই ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জোর আক্রমণ শানান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তবে তারপরই কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে সেই নথির অস্তিত্ব আর মেলেনি।

কী লেখা ছইল কেন্দ্রের রিপোর্টে?
প্রতিরক্ষামন্ত্রকের রিপোর্টে লেখা ছিল, 'কুগ্রাং নালা (হটস্প্রিংয়ের উত্তরে অবস্থিত প্যাট্রল পয়েন্ট/ফিঙ্গার ১৫), গোগরা, (ফিঙ্গার ১৭এ) এবং প্যাংগং সো হ্রদের উত্তরের এলাকায় ১৭ ও ১৮ মে চিনা সেনা অনুপ্রবেশ করেছিল।' ঠিক এই দখলদারির কথা না বললেও কংগ্রেসর প্রথম থেকে বক্তব্য ছিল, চিন ভারতে ঢুকেছে এবং কেন্দ্র তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

রাহুল গান্ধী ধারাবহিক ভাবে প্রধানমন্ত্রীকে৬ আক্রমণ করেছেন
কংগ্রেস প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছিল যে চিন ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে এলাকা দখল করে নিয়েছে। তবে এই বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য ছিল ভিন্ন। কেন্দ্রের তরফে বারবারই বলা হয় যে চিন ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেনি। কিন্তু কেন্দ্রের এই কথা না মেনে রাহুল গান্ধী ধারাবহিক ভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আক্রমণ করে গিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications