করোনা সুরক্ষায় মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের কার্যক্রম বাড়াতে জোর, রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের
করোনা থেকে সুরক্ষার জন্য ডেঙ্গুর মতো মশা-বাহিত রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। মশা-বাহিত রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে তাই ত্বরান্বিত করা জরুরি। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে জোর দিতে বলল কেন্দ্র।
করোনা থেকে সুরক্ষার জন্য ডেঙ্গুর মতো মশা-বাহিত রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। মশা-বাহিত রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে তাই ত্বরান্বিত করা জরুরি। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে জোর দিতে বলল কেন্দ্র। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই মর্মে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিব এবং প্রশাসকদের চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর জন্য কীটতাত্ত্বিক নজরদারি, উৎস হ্রাস কার্যক্রম এবং ভেক্টর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি যেকোনো জ্বরের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সময়মতো সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার উপর জোর দিতে বলেছেন।
রাজেশ ভূষণ বলেন, সাম্প্রতিক বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে কয়েকটি রাজ্যে ডেঙ্গুর মতো ভেক্টর-বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে। এই রোগগুলির বিস্তার এবং সংক্রমণ পরিবেশগত কারণগুলির দ্বারা প্রভাবিত হয়। ভেক্টর বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ হল বর্ষা। বর্ষা-পরবর্তী সময়ে তাদের সংক্রমণ সর্বাধিক হয়।
কেন্দ্রের পরামর্শ মশাবাহিত এই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছু বিধিবদ্ধ ব্যবস্থা নিতে হবে। ভেক্টর বা মশা জন্মাতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালানো দরকার। করোনা নিরাপত্তার জন্য ভিবিডি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের গতি বাড়ানোর উপর জোর দিতেই রাজেশ ভূষণ ১০ সেপ্টেম্বর চিঠি লেখেন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে।
কেন্দ্রের চিঠিতে বলা হয়েছে, সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর জন্য কীটতাত্ত্বিক নজরদারি, উৎস হ্রাস কার্যক্রম এবং প্রম্পট ভেক্টর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে। রোগের প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করতে হবে বলে ভূষণ রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করেন। বলা হয়েছে, যেকোনো জ্বরের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় ব়্যাপিড রেসপন্স টিমগুলোকে সময়মতো মোতায়েন করা জরুরি।
প্রয়োজনীয় রসদসহ প্রস্তুতি বিশেষ প্রয়োজন। সমস্ত হাসপাতালকে জরুরি পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিকস, ওষুধ সরবরাহ করতে হবে। ভিবিডি কেসগুলির চিকিৎসা বা ব্যবস্থাপনা করতে হবে জরুরি ব্যবস্থাপনায়। কীটনাশক স্প্রের মাধ্যমে যেখানে প্রয়োজন সেখানে ভেক্টর এবং উৎস নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালাতে হবে।
ভিবিডি নিয়ন্ত্রণের জন্য বহু সেক্টরাল পদ্ধতির প্রয়োজন। রাজেশ ভূষণ বলেন, নগর ও পল্লি উন্নয়ন এবং পঞ্চায়েত দফতরের ভূমিকা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথ পর্যালোচনার মাধ্যমে ভেক্টর নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা দরকার। সমস্ত সম্প্রদায়কেও ভেক্টর নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণের জন্য সংবেদনশীল হতে হবে এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications