Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ইয়েদুরাপ্পাকে ‘আউট’ করে বিজেপির নয়া কৌশল, কর্নাটকে জাত-রাজনীতিতে ভরসা

গত কয়েক বছরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কৌশল ছিল দলের জন্য সমর্থন তৈরি করতে জাতভিত্তিক নেতাদের উপর নির্ভরতা কমানো। কিন্তু এবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই সরাসরি ধর্মীয় নেতাদের উপর নির্ভর করে ভোট জিততে চাইছে।

কর্নাটকেও মুখ্যমন্ত্রী বদল করেছে বিজেপি। ভোটের আগে বিজেপি সেই এক কৌশল নিয়েছে। প্রাক্তন হয়েছেন ইয়েদুরাপ্পা। ইয়েদুরাপ্পাকে আউট করে বিজেপি জাতপাতের রাজনীতিতে ভরসা রেখেছে। এটাই তাদের নয়া কৌশল কর্নাটকে। তার প্রমাণ মিলল দিল্লিতে কর্নাটক সংঘের অমৃত মহোৎসবে।

ইয়েদুরাপ্পাকে ‘আউট’ করে বিজেপির নয়া কৌশল, কর্নাটকে জাত-রাজনীতিতে ভরসা

কর্নাটক বিজেপিতে সবচেয়ে বড়ো পরিবর্তনের সূচক হিসেবে ধরা হচ্ছে ২৫ ফেব্রুয়ারিকে, যেদিন দলের প্রধান লিঙ্গায়ত নেতা তথা ৮০ বছর বয়সী বিএস ইয়েদুরাপ্পা বিজেপি বিধায়ক হিসাবে তাঁর ৪০ বছরের কেরিয়ারে পূর্ণ করেছিলেন। তার আগেই তিনি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন।

সম্প্রতি যে পরিবর্তন বিজেপির রাজনীতিতে দেখা গিয়েছে, তা হল জাতপাতের রাজনীতিতে আস্থা। দিল্লিতে কর্নাটক সংঘের অমৃত মহোৎসবে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই মঞ্চে ছিলেন কর্নাটকের পাঁচজন প্রধান ধর্মীয় নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন শীর্ষ লিঙ্গায়ত দ্রষ্টা, একজন শীর্ষ ভোক্কালিগা দ্রষ্টা, একজন শীর্ষ ব্রাহ্মণ মঠের প্রধান। এবং একজন জৈন আধ্যাত্মিক নেতাও ছিলেন।

এই সমাবেশে তাৎপর্যপূর্ণভাবে অনুপস্থিত ছিলেন কর্ণাটক বিজেপির শীর্ষ লিঙ্গায়ত নেতারা। অনুপস্থিতির তালিকা বেশ দীর্ঘ। ইয়েদুরাপ্পা, জগদীশ শেত্তার, বসানগৌদা পাতিল ইয়াতনাল, মুরুগেশ নিরানি- সবাই অনুপস্থিত ছিলেন। ডক্টর সি এন অশ্বথনারায়ণ, আর অশোক এবং কে সুধাকরের মতো ভোক্কালিগা নেতারাও অনুপস্থিত ছিলেন।

লিঙ্গায়তরা হলেন কর্নাটকের একক-বৃহত্তর জাতিগোষ্ঠী। ভোক্কালিগাস হল দ্বিতীয়-প্রধান জাতিগোষ্ঠী। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্বাই একজন লিঙ্গায়ত নেতা, তিনি মনে করেন তার নিজের প্রভাব খুব কম। তবে তিনি এই অনুষ্ঠানে সবথেকে বড় প্রদেশ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

রাজ্য বিজেপির অনেকের কাছে এই বিষয়টি স্পষ্ট নয়। গত কয়েক বছরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কৌশল ছিল দলের জন্য সমর্থন তৈরি করতে জাতভিত্তিক নেতাদের উপর নির্ভরতা কমানো। কিন্তু এবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই সরাসরি ধর্মীয় নেতাদের উপর নির্ভর করে ভোট জিততে চাইছে। কৌশল বদলে তারা ফিরছে জাতপাতের রাজনীতিতে।

২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কর্নাটকের ধর্মীয় নেতাদের মধ্যস্থতা ছাড়াই রাজ্যের নেতাদের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা কররা সুযোগ দিয়েছিল। তৎকালীন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে নির্মলানন্দনাথ স্বামীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং তাঁর আশ্রমে থেকেওছিলেন। তবে বিজেপি সেবার ভোক্কালিগা সম্প্রদায়ের সমর্থন পাননি। কারণ অবশ্যই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া ও তাঁর ছেলে কুমারস্বামী।

এদিকে নির্বাচনী ময়দান থেকে ইয়েদুরাপ্পা এবার নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা গত সপ্তাহেই ঘোষণা করেছেন। কর্নাটকের রাজনৈতিক বিষয়গুলি সম্পূর্ণ কেন্দ্রের তরফে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা বিজেপির কৌশলের একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসাবে মনে করা হচ্ছে। স্বামীজীরা এখন প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন, রাজ্যের কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তি নয়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+