Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

চণ্ডীগড় প্রসঙ্গে বিতর্কে গা ছাড়া কেন্দ্র, তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে সাফাই দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

চণ্ডীগড়কে সংবিধানের ২৪০ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় আনার প্রস্তাব ঘিরে পঞ্জাবে রাজনৈতিক ঝড় যতই তীব্র হচ্ছে, তার মাঝেই পিছিয়ে এল কেন্দ্র। শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হল চণ্ডীগড়ের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া সহজ করার যে প্রস্তাব সামনে এসেছে, তা এখনও শুধুমাত্র বিবেচনাধীন, কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিন পিআইবি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সরকারি এক্স হ্যাণ্ডেলের পোস্টে জানানো হয়, এই প্রস্তাবের মাধ্যমে চণ্ডীগড়ের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো বদলানোর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার সঙ্গে ইউটিটির প্রচলিত সম্পর্কও অপরিবর্তিত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে কেন্দ্র। মন্ত্রকের ভাষায় "শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়ন পদ্ধতি সরলীকরণের উদ্দেশ্যে আলোচনা চলছে।"

এর আগে সংসদের বুলেটিনে উল্লেখ ছিল,আন্দামান,নিকোবর, লক্ষদ্বীপ, দমন ও দিউ, দাদরা ও নগর হ‌বেলি, কিংবা বিধানসভা ভঙ্গ অবস্থায় থাকা পন্ডিচেরির মতোই চণ্ডীগড়কে শ্রেণিবদ্ধ করার কথা ভাবা হচ্ছে। কিন্তু প্রকাশ্যে আসতেই প্রস্তাবটি সারা পাঞ্জাবে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

'পাঞ্জাবের রাজধানী কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত' কে
সবচেয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান্ন। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র "বড় অবিচার" করছে এমনকি চণ্ডীগড়কে পাঞ্জাবের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি চণ্ডীগড় "ছিল, আছে ও থাকবে" পাঞ্জাবেরই অংশ। এই সংশোধনী কোনওভাবেই পাস হতে দেবে না রাজ্য সরকার।

আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, এই পদক্ষেপ "পাঞ্জাবের সাংবিধানিক অধিকার ও পরিচয়ের ওপর আঘাত।" তাঁর মন্তব্য এই উদ্যোগ কেন্দ্র ও রাজ্য কাঠামোকেই দুর্বল করবে। কেজরিওয়ালের দৃঢ় দাবি, "চণ্ডীগড় পাঞ্জাবেরই ও পাঞ্জাবেরই থাকবে।"

পাঞ্জাবের কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং এই প্রস্তাবকে "অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয়" বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, চণ্ডীগড়কে পাঞ্জাব থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হলে তার "গুরুতর প্রভাব" পড়বে। কংগ্রেস সংসদে এই বিলের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি সুখবীর সিং বাদল অভিযোগ করেন, এটি পাঞ্জাবের অধিকারের ওপর "সরাসরি আঘাত" ও কেন্দ্র অতীতের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন ১৯৭০ সালে কেন্দ্র নীতি গতভাবে চণ্ডীগড় পাঞ্জাবকে দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছিল ও রাজীব লংওয়াল চুক্তিতে ১৯৮৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সময়সীমাও নির্ধারিত ছিল, যা কখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

অবাক করার মতো বিষয় হল পঞ্জাবের বিজেপি সভাপতি সুনীল জাখড়ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব। তিনি বলেন, চণ্ডীগড় "পাঞ্জাবের অবিচ্ছেদ্য অংশ।" এক্স হ্যাণ্ডেলে পোস্ট করে জাখড় জানান, পাঞ্জাব বিজেপি সবসময় রাজ্যের স্বার্থের পক্ষে থাকবে চণ্ডীগড় হোক বা পাঞ্জাবের জল বণ্টনের প্রশ্ন।

বর্তমানে চণ্ডীগড়ের প্রশাসন পরিচালনা করেন পাঞ্জাবের রাজ্যপাল। ২০১৬ সালে কেন্দ্র আবার আলাদা প্রশাসক নিযুক্ত করার চেষ্টা করলেও পাঞ্জাবের তীব্র প্রতিবাদের মুখে তা পিছিয়ে যায়।

চণ্ডীগড় পাঞ্জাবের ন্যায্য রাজধানী ও সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল কোনওভাবেই পাস হতে দেওয়া হবে না। রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যেই রণনীতি সাজাতে শুরু করেছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+