শীঘ্রই নাগরিকত্ব পাবে চাকমা ও হ্যাজং রিফিউজিরা, তাদের পরিচয় জেনে নিন
শীঘ্রই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে উত্তর-পূর্বের চাকমা ও হ্যাজং উদ্ভাস্তুদের,বুধবার অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে চাকমা ও হ্যাজং ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ আ
শীঘ্রই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে উত্তর-পূর্বের চাকমা ও হ্যাজং উদ্ভাস্তুদের। পাঁচ দশক আগে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা এই সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে আজও শরণার্থী শিবিরে বসবাস করে। বুধবার অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে চাকমা ও হ্যাজং ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরন রিজিজু ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও।

চাকমা ও হ্যাজং জনজাতি, মূলত যারা অরুণাচল প্রদেশে থাকে তাদের ভারতের নাগরিকত্ব প্রদান করার নির্দেশ ২০১৫ সালেই দিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। সেই নির্দেশ কত তাড়াতাড়ি কার্যকর করা যায় তা নিয়েই এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। অবশ্য চাকমা ও হ্যাজংদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিরোধিতাও করা হচ্ছে অরুণাচল প্রদেশে। এই উদ্ভাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদান করলে রাজ্যের জনসংখ্যা মাত্রা ছাড়াবে বলেই মত বেশ কয়েকটি সংগঠনের।
সেক্ষেত্রে তাদের নাগরিকত্ব প্রদান করা হলেও বেশ কিছু অধিকার থেকে বঞ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার মধ্যে অন্যতম হল জমির মালিকানা না পাওয়া। তবে রাজ্যের যেকোন জায়গায় ভ্রমণ ও কাজের অনুমতি তাদের দেওয়া হবে বলেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকসূত্রে জানা গিয়েছে।
চাকমা ও হ্যাজংরা মূলত চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা। ১৯৬০ সালে কাপতাই বাঁধ ভেঙে গিয়ে ওই জায়গা ডুবে যাওয়ার পর তারা ভারতে চলে আসে। ১৯৬৪ -৬৯ পর্যন্ত তাদের জনসংখ্যা মাত্র ৫ হাজার হলেও বর্তমানে তাদের জনসংখ্যা ১ লক্ষেরও বেশি। নিজস্ব জমি বা নাগরিকত্ব না থাকলেও রাজ্য সরকারের দেওয়া ন্যুনতম সুযোগ- সুবিধে তারা পায়।












Click it and Unblock the Notifications