চাইলে টুইটারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে করতে পারে কেন্দ্র, স্পষ্ট বার্তা দিল্লি হাইকোর্টের
চাইলে টুইটারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে করতে পারে কেন্দ্র, স্পষ্ট বার্তা দিল্লি হাইকোর্টের
আদালত কেন্দ্র সাঁড়াশি চাপের মুখে পড়ে অবশেষে মাথা নোয়াতে বাধ্য হয়েছে টুইটার। নয়া আইটি বিধি মেনে আগামী আট সপ্তাহের মধ্যে তারা গ্রিভান্স অফিসারও নিয়োগ করবে বলে জানিয়েছে। কিন্তু এদিন মামলার শুনানি চলাকালীন একাধিকবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি রেখা পল্লির তোপের মুখে পড়ে এই বিশ্বক্যাত মাইক্রোব্লগিং সংস্থা। এমনকী সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় টুইটারকে তীব্র ভাষায় ভৎসনাও করেন তিনি।

টুইটারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে কেন্দ্র
দিল্লি হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার সাফ জানিয়েছে, এখন থেকে কেন্দ্র চাইলে টুইটারের অবৈধ কর্মপ্রণালীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে। এমনকী নয়া তথ্যপ্রযুক্তি আইন লঙ্ঘন করলেও আইনি রাস্তায় হাঁটতে পারবে কেন্দ্র। রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারপতি রেখা পল্লী বলেন, 'টুইটার আদালতকে বিভ্রান্ত করেছে। সরকার ও আদালত দুজনেরই সময় নষ্ট হয়েছে। সরকার যদি চায় টুইটারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। "

ফের জমা করতে হবে হলফনামা
এদিকে আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় টুইটার জানিয়েছে একটি জনসংযোগ অফিস চালু করার বিষয়েও ইতিমধ্যেই ভারতে তারা কাজও শুরু করেছে। পাশাপাশি অভিযোগ গ্রহণকারী আধিকারিক নিয়োগের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে টুইটার। যদিও তারপরও আগামী দু-সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত কর্মকাণ্ডের কথা বিশদে জানিয়ে টুইটারকে হলফনামা জমা করতে বলেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

অন্তর্বর্তীকালীন গ্রিফান্স আধিকারিক নিয়েও বিরক্ত দিল্লি আদালত
এদিকে এদিকে এতদিন টুইটার বারংবার গ্রিফান্স অফিসার নিয়োগ করলেও তারা সকলেই ছিলেন বিদেশি। কিন্তু কেন্দ্রের বিধি অনুযায়ী ওই আধিকারিককে অবশ্যই ভারতীয় হতে হবে। যদিও কিছুদিন আগেই এক মার্কিনিকে নতুন করে অন্তর্বর্তীকালীন গ্রিফান্স আধিকারিক হিসাবে নিয়োগ করে টুইটার। এই প্রসঙ্গে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি।

আগের হলফনামায় কী জানিয়েছিল টুইটার
টুইটার কর্তাদের তীব্র সমালোচনা করে বিচারপতি রেখা পল্লী বলেন, "এটা রীতিমতো গুরুতর ব্যাপার। আপনারা আদালতকে এতদিন এটা বলেননি যে আসলে একজন অন্তর্বর্তীকালীন আধিকারিক নিযুক্ত করেছেন।এরকম কী করে চলতে পারে" যদিও এই বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্টে একটি হলফনামা জমা দেয় টুইটার। তাতে জানানো হয় ত ২৯ শে মে একজন অন্তর্বর্তীকালীন রেসিডেন্ট অভিযোগ গ্রহণকারী আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছিল। যদিও ২১ শে জুন তিনি পদত্যাগ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications