মমতার রাজ্যে এরপর সিবিআইএ-র নিশানায় কারা! তালিকাটা ১০০-র কাছাকাছি
গরু পাচার, কয়লা পাচার নিয়োগ দুর্নীতিতে শাসকদলের বেশ কয়েকজন নেতা হেফাজতে। বেশ কয়েকন স্ক্যানারে রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। অচিরেই তাঁদেরকে ঘিরে অভিযান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা।
গরুপাচারের পরে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতি। তৃণমূলের একের পর এক রথী-মহারথীরা এখন জেলের মধ্যে। অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তৃণমূল দাবি, ষড়যন্ত্র। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যে প্রায় ১০০-র কাছাকাছি জনপ্রতিনিধি রয়েছেন সিবিআই স্ক্যানারে। তার মধ্যে পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদের সদস্যরাই শুধু নন, রয়েছেন মন্ত্রী, এমন কী কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরও।

কারা রয়েছেন সিবিআই স্ক্যানারে
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিবিআই স্ক্যানারে যে ১০০-র কাছাকাছি জনপ্রতিনিধি রয়েছেন, তার মধ্যে কলকাতার পুরসভায় কাউন্সিলর রয়েছেন বেশ কয়েকজন। রাজ্য মন্ত্রিসভার এক মন্ত্রীও নাকি সিবিআই-এর সেই তালিকায় রয়েছেন। সিবিআই এইসব জন প্রতিনিধিদের সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য যোগার করেছে।

বৈঠকের পরেই সিদ্ধান্ত
সিবিআই-এর তালিকাটা বেশ বড়। ফলে একবার অভিযান শুরু হবে রাজনৈতিকভাবে হইচই শুরু হবে। তবে তার আগে সেব্যাপারে কোনও ফাঁক রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ১০ মার্চ এব্যাপারে বৈঠকে বসতে চলেছে সিবিআই-এর শীর্ষ আধিকারিকরা। সেখানেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে।

দুর্নীতির জাল সারা রাজ্যে ছড়িয়ে
প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক, রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। রাজ্য জুড়েই এই দুর্নীতি ছড়িয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় কিংবা মানিক ভট্টাচার্যের মতো তৃণমূলে জন প্রতিনিধি তথা শীর্ষে থাকারাই শুধু নন, কুন্তল ঘোষের মতো নিচের দিকের অনেক নেতাই যুক্ত এই নিয়োগ দুর্নীতিতে। সিবিআই ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন মিডলম্যানকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে সিবিআই-এর প্রাক্তন জয়েন্ট ডিরেক্টর উপেন বিশ্বাস বর্ণিত বাগদার চন্দনকেও। এর পাশাপাশি আরও অনেকের নাম উঠে আসছে হেফাজতে থাকা অভিযুক্তদের বয়ান থেকে। তা পরীক্ষা করে দেখার কাজ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

সিবিআই-এর তালিকায় রাজনৈতিক প্রভাবশালীরাও
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিবিআই-এর তালিকায় উঠে এসেছে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদের বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধিও। এর মধ্যে বেশ কয়কেজনের নামে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিরোধী দলের নেতারা। তাঁরা একদিকে যেমন রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী, আবার অন্যদিকে অর্থবানও। তাঁরা টাকার মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। আদালতের নির্দেশে যাঁরা চাকরি হারিয়েছেন, তাঁদের বেশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। সেই জিজ্ঞাসাবাদের সময়েই নিচুতলার ওইসব জনপ্রতিনিধিদের নাম উঠে এসেছে। অভিযান শুরু করলেই নামগুলি স্পষ্টভাবে সামনে আসবে।
নিয়োগ দুর্নীতির শুনানির সময় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ধেড়ে ইঁদুরের কথা বলেছিলেন। যা নিয়ে আপত্তি ছিল শাসকদলের। পাল্টা বিচারপতির কথা ধরেই তৃণমূলের দিকে আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা।












Click it and Unblock the Notifications