ইশরাত জাহান মামলায় অমিত শাহকে ক্লিনচিট দিল সিবিআই

২০০৪ সালের ১৫ জুন আমেদাবাদের উপকণ্ঠে গুজরাত পুলিশ গুলি গুলি করে মারে ইশরাত জাহানকে। একই সঙ্গে, পুলিশের গুলিতে মারা যায় জাভেদ শেখ ওরফে প্রাণেশ পিল্লাই, জিশান জোহর এবং আমজাদ আলি রানা। এই এনকাউন্টারে গুজরাত পুলিশের সঙ্গী ছিল ইনটেলিজেন্স ব্যুরো। তাদের দাবি ছিল, ইশরাত জাহান আপত অর্থে শান্তশিষ্ট মেয়ে হলেও 'জঙ্গি' কার্যকলাপে যুক্ত ছিল। এরা নরেন্দ্র মোদীকে খুনের চক্রান্ত করেছিল বলে দাবি করে পুলিশ।
এই ঘটনায় হইচই শুরু হলে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। অফিসার-কনস্টেবল মিলিয়ে সাতজন পুলিশকর্মীকে গ্রেফতার করে তারা। আইপিএস অফিসার তথা গুজরাত পুলিশের ডিজি-কে ভুয়ো সংঘর্ষে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনিই বলেন, অমিত শাহের নির্দেশে এ সব করা হয়েছে। এর পরই দফায় দফায় সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পাওয়া গেল না বলে আদালতকে জানিয়ে দিল সিবিআই।
ভোটের মরশুমে এটা নরেন্দ্র মোদীর কাছে স্বস্তিদায়ক। কারণ অমিত শাহ তাঁর 'ডান হাত' হওয়ায় কংগ্রেস বারবার বিঁধছিল তাঁকে। এবার তারা আর সেই অভিযোগ করতে পারবে না। পাশাপাশি, আড়িপাতা-কাণ্ডে গতকালই সংশ্লিষ্ট তরুণী জানিয়ে দিয়েছেন, গুজরাত পুলিশ তাঁর গতিবিধির ওপর নজর রেখে বরং নিরাপত্তাই দিয়েছে। নইলে প্রাণ সংশয় হতে পারত। ফলে আড়িপাতা-কাণ্ড নিয়ে এবার কংগ্রেসকে পাল্টা বিঁধতে শুরু করেছে বিজেপি। এদিন অমিত শাহ বলেছেন, "আমি জানতাম, আমি নির্দোষ। সেটা এবার গুজরাত পুলিশ নয়, বলল সিবিআই। আশা করি, এর পর আমার বিরুদ্ধে কুৎসা করা বন্ধ করবে কংগ্রেস।"












Click it and Unblock the Notifications