RG Kar Incident: ধর্ষণ-খুনের মামলায় সঞ্জয় ছাড়া আর কে জড়িত? তদন্ত চলছে, সুপ্রিম কোর্টে জানাল সিবিআই
Supreme Court Hearing on RG Kar Incident: মামলার তদন্ত কোন পথে? স্ট্যাটাস রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা দিল সিবিআই। একই সঙ্গে টাস্ক ফোর্স নিয়েও বিশেষ হলফনামা জমা পড়ল সর্বোচ্চ আদালতে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রর বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। মামলার শুরুতেই তদন্ত সংক্রান্ত রিপোর্ট চায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
এরপরেই তদন্ত সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেন সলিশিটর জেনারেল তুষার মেহতা। একই সঙ্গে চার্জশিটের কপিও জমা দেওয়া হয়। তা পড়ে দেখেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। মামলার শুনানিতে সিবিআই'য়ের আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ তারিখ শিয়ালদহ আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে (Supreme Court Hearing on RG Kar Incident) ।

একই সঙ্গে আরজি কর খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় অন্যান্যদের ভূমিকা এখনও তদন্ত সাপেক্ষ বলেও এদিন শুনানিতে জানান সলিসিটর জেনারেল। শুধু তাই নয়, আরজি করের নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সিবিআই সবসময় রেখে চলেছে বলেও এদিন জানান আইনজীবী। রিপোর্টে তা উল্লেখ বলে পর্যবেক্ষণে জানান প্রধান বিচারপতি। পাশাপাশি দুর্নীতি সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উল্লেখ আছে বলেও মন্তব্য বিশেষ বেঞ্চের।
একই সঙ্গে এদিন স্ট্যাটাস রিপোর্টে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ আছে। যেমন ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় সঞ্জয় ছাড়া আর কেউ যুক্ত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেশ কিছু তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ সিবিআই পেয়েছে। সেগুলি বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও তদন্ত সংক্রান্ত বিশেষ রিপোর্টে উল্লেখ আছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে এদিন টাস্ক ফোর্স নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে। তিনি জানান, ৭৮০০ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান নিজেদের মতামত টাস্ক ফোর্সের কাছে জমা দিয়েছে। টাস্ক ফোর্স কীভাবে কাজ করছে তা হলফনামা আকারে জমা দেওয়া হয়েছে। তা পড়ে দেখেন প্রধান বিচারপতি।
কিন্তু গত ৯ সেপ্টেম্বর শেষ বার বৈঠক হয় টাস্ক ফোর্সের। কেন এরপর কেন বৈঠক হয়নি? তা নিয়ে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সলিসিটর জেনারেলকে।
এরপরেই সর্বোচ্চ আদালতের স্পষ্ট বার্তা, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে টাস্ক ফোর্সকে কাজ শেষ করতে হবে। এক্ষেত্রে সমস্ত গ্রুপগুলিকে নিয়মিত বৈঠক করতে হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে টাস্ক ফোর্সকে কাজ শেষ করতে হবে বলেও এদিন প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications