Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্র লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত! কোন ঘটনাপ্রবাহে বিপাকে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ?

Mahua Moitra: কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত হলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ ও উপহারের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছিল।

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা অভিযোগ পেয়ে তা পাঠিয়েছিলেন এথিক্স কমিটির কাছে। তদন্তের পর সেই কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে। যার জেরে বহিষ্কৃত হলেন মহুয়া। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্র লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত!

গত ১৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাই সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তার কপি পাঠান লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে। যাতে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল। মহুয়া দাবি করেন, তাঁর প্রাক্তন বন্ধুর অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওই আইনজীবী পুলিশকে জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি জীবনহানির আশঙ্কা করছেন।

১৫ অক্টোবর বিজেপির সাংসদ নিশিকান্ত দুবে লোকসভার অধ্যক্ষর কাছে অভিযোগ করে জানান, মহুয়া মৈত্র লোকসভায় আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করার জন্য দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে অর্থ ও উপহার নিয়েছেন। এরপর ১৭ অক্টোবর লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা বিষয়টিকে পাঠিয়ে দেন এথিক্স কমিটির কাছে।

নিয়ম হলো, সংসদের ওয়েবসাইটে প্রশ্নগুলি রাখতে সাংসদরা পাসওয়ার্ড দিয়ে পার্লামেন্টের সাইটে লগ-ইন করে তা পেশ করেন। ১৯ অক্টোবর দর্শন হীরানন্দানির হলফনামা অস্বস্তি বাড়ায় মহুয়ার। যাতে তিনি লেখেন, মহুয়া নন, প্রশ্নগুলি সংসদের ওয়েবসাইটে তিনি নিজেই রেখেছিলেন, দুবাই থেকে পার্লামেন্ট সাইটে লগ-ইন করে ঢুকে।

এরপর রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে ওঠে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে মহুয়া স্বীকার করেন, তিনি পার্লামেন্ট সাইটের পার্লামেন্টারি লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ডের বিস্তারিত তথ্য হীরানন্দানিকে দিয়েছেন। তিনি যেখানে ছিলেন সেখান থেকে প্রশ্নগুলি আপলোড করা সম্ভব ছিল না। প্রশ্নগুলি তাঁরই। হীরানন্দানির অফিস থেকে যাতে প্রশ্নগুলি আপলোড করা যায় সেই সহায়তা নিতেই লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড দেন।

মহুয়া একইসঙ্গে দাবি করেছিলেন, তিনি এই প্রশ্নগুলি করার জন্য কোনও রকমের অর্থ নেননি। তবে স্কার্ফ, লিপস্টিক, আই শ্যাডো-সহ মেক-আপের কিছু উপকরণ তিনি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন।

৩১ অক্টোবর তাঁকে এথিক্স কমিটির তলব প্রসঙ্গে মহুয়া বলেন, তাঁকে অফিসিয়ালি মেল করা হয় সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে। যদিও তার আগে কমিটি চেয়ারম্যান টিভি চ্যানেলে তলবের ঘোষণা করেছেন। সমস্ত অভিযোগ, হলফনামা সংবাদমাধ্যমের কাছে চলে যাওয়াতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মহুয়া।

এরপর নভেম্বরের ২ তারিখ এথিক্স কমিটির তলব পেয়ে কমিটির সদস্যদের সামনে উপস্থিত হন মহুয়া। যদিও তিনি কিছুক্ষণ পরেই সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। ক্রোধান্বিত হয়ে জানান, তাঁকে ব্যক্তিগত বিষয়ে কিছু প্রশ্ন করা হয়েছে। সে কারণেই তিনি বেরিয়ে এসেছেন। যদিও কমিটির তরফে দাবি করা হয়, মহুয়া তদন্তে সহযোগিতা করেননি, নানা প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি।

নভেম্বরের ১০ তারিখ এথিক্স কমিটির রিপোর্টে মহুয়াকে সাসপেনশনের সুপারিশ করা হয়। সেখানে মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যে সত্য সে কথাও জানানো হয়। ১০ সদস্যের মধ্যে ৬ জনই ৪৭৯ পাতার রিপোর্টকে সমর্থন করেন। বিরোধিতা করেন বিরোধী দলের চার সদস্য।

আজ সেই রিপোর্ট লোকসভায় পেশ করা হয়। বিরোধী দলগুলির তরফে দাবি জানানো হয়, মহুয়াকে তাঁর বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়া হোক। যদিও তা হয়নি। মহুয়াকে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+