ফল প্রকাশের আগে নাটকীয় মোড় বিহারে, নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে মামলা সুপ্রিমকোর্টে
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করলেন এক আইনজীবী। পাশাপাশি আরও অনেক রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। দিল্লির ব্রজেশ সিং নামে ওই আইনজীবীর অভিযোগ, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কমিশনের তরফে বিহার নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের অপরাধের রেকর্ড প্রকাশ করা হয়নি।

বিহারের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধেও মামলা
সুনীল অরোরার পাশাপাশি কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা, বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ, বিহারের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এইচ আর শ্রীনিবাস, জেডিইউ-র সাধারণ সম্পাদক কে সি ত্যাগী এবং অন্যদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন ব্রজেশ সিং।

আইনজীবী অভিযোগ করে কী বলেন?
মামলার প্রেক্ষিতে আইনজীবী অভিযোগ করেন, জন সাধারণের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করা নেতারা বিহারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। অথচ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে তাঁদের অপরাধের রেকর্ড সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হয়নি। শুধুমাত্র বিহারের একটি হিন্দি সংবাদপত্রে তা প্রকাশ করা হয়।

অপরাধ থাকা সত্ত্বেও কেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রার্থী পদ পাচ্ছেন
চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের অপরাধের রেকর্ড থাকলে তা সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে হবে। সেই অপরাধ থাকা সত্ত্বেও কেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রার্থী পদ পাচ্ছেন, তা বিস্তারিত জানাতে হবে। স্থানীয় ও সর্ব ভারতীয় সাংবাদপত্রে জানানোর কথা বলা হয় আদালতের তরফে।

দলগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি
প্রার্থী নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে অথবা প্রথম মনোনয়ন জমা করার দু'সপ্তাহ আগে প্রকাশ করতে হবে। এর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলি সেসব তথ্য নির্বাচন কমিশনকে দেবে। বিজেপি-র সদস্য তথা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দেয়। দিল্লির আইনজীবী ব্রজেশ সিং নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে রাজনৈতিক দলগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications