মহিলাদের বাড়িতে ডেকে যৌন হেনস্থা, অভিযোগের তীর আন্দামান ও নিকোবরের প্রাক্তন চিফ সেক্রেটারির দিকে

প্রায় ২০ জন মহিলাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যৌন অত্যাচারের অভিযোগ উঠল আন্দামান ও নিকোবরের প্রাক্তন চিফ সেক্রেটারির বিরুদ্ধে। এক বছর এই পদে ছিলেন তিনি। এই সময়েই এই কাণ্ড করেছেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জিতেন্দ্র নারায়ন পোর্ট ব্লেয়ারে তার বাড়িতে ওই মহিলাদের নিয়ে যেতেন এবং অত্যাচার করতেন বলে অভিযোগ।

অভিযোগ

অভিযোগ

অভিযোগ উঠেছে যে চাকরি দেওয়ার বদলে তাঁদের সঙ্গে এই কাজ করতেন তিনি। পুলিশ একে কার্যত 'জব সেক্স র‍্যাকেট' বলছে। ঘটনা সামনে আসে এক একুশ বছরের মহিলা জিতেন্দ্র নারায়ণ ও লেবর কমিশনার আরএল ঋষির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনার পর।

মহিলার অভিযোগ

মহিলার অভিযোগ

মহিলা তার অভিযোগে লেখে যে তার সঙ্গে ঋষির পরিচয় করানো হয় এক হোটেলের মালিকের মাধ্যমে। সে চাকরি খুঁজছিল। কমিশনার তাঁকে নিয়ে কায় সরাসরি চিফ সেক্রেটারির বাড়িতে। সেখানে তাঁকে মদ খেতে বলা হয়। সে নাকচ করে দেয়। এরপরেই তাঁকে সরকারি চাকরির অফার দেওয়া হয়। পাশাপাশি তার সঙ্গে ওই দু'জন মিলে প্রবল যৌন অত্যাচার করা হয়।

ওই মহিলা এও বলেছে যে তাঁকে দুই সপ্তাহ ধরে তার উপর অত্যাচার করা হয়। তবে এরপরেও তাঁকে চাকরি দেওয়া তো হয়েইনি উলটে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় কোথাও কিছু না বলার জন্য।

রেকর্ড করা হয়েছে

রেকর্ড করা হয়েছে

রেকর্ড করা হয়েছে কল ডাটা, এরপর মোবাইল টাওয়ার লোকেশন খুঁজে ওই মহিলার কথা মিলিয়ে , ঘটনা মিলিয়ে ওই দু'জনকে ধরা হয়েছে। জানা গিয়েছে যে চিফ সেক্রেটারির বাড়ির সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ প্রথমে ডিলিট করা হয়েছিল। সেগুলি পোর্ট ব্লেয়ার থেকে দিল্লি যাবার আগেই ডিলিট করা হয়।

অভিযোগ নস্যাত

অভিযোগ নস্যাত

নারায়ণ তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ নস্যাত করেছেন। তিনি বলেছেন তার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন তার কাছে সেই বিষয়ে প্রমাণ রয়েছে। তিনি এও বলেছেন যে তারিখে এই ঘটনা ঘটেছে সে দিন তিনি পোর্ট ব্লেয়ারে ছিলেন না। সেই প্রমান নাকি তার কাছে আছে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের হাইকোর্ট ধর্ষণের এক আসামির সাজা যাবজ্জীবন থেকে কমিয়ে ২০ বছর করেছে। তার কারণ হিসেবে হিসেবে মধ্যপ্রদেশের হাইকোর্ট জানিয়েছে, ধর্ষণের পর আসামি চার শিশুটিকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। সেইকারণে দোষীর সাজা যাবজ্জীবন কমিয়ে ২০ বছর করা হয়।চার শিশুকে ধর্ষণ করার অপরাধে সাজা কাটছে দোষী। উচ্চ আদালতে ওই ব্যক্তি সাজা কামানোর আবেদন করেন। হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি মহিলাদের কোনও সম্মান দেননি। এমনকী নিজের বিকৃত যৌন লালসার জন্য চার বছরের শিশুকেও ছাড় দেয়নি। উচ্চ আদালত জানায়, দোষীর সাজা কামানোর জন্য কোনও কারণ দেখা যাচ্ছে না।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+