Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মাংসাশী উদ্ভিদের খোঁজ মিলেছে এ দেশেই! কী খায় জানলে চোখ উঠবে কপালে

মাংসাশী উদ্ভিদের খোঁজ মিলেছে এ দেশেই! কী খায় জানলে চোখ উঠবে কপালে

এ দেশেই এক উদ্ভিদের খোঁজ মিলেছে, যে উদ্ভিদ মাংসাশী। অর্থাৎ মাংস খায়। প্রাণীকে ধরে খেয়ে নেয় এই গাছ। অত্যন্ত বিরল এই গাছ আবিষ্কারের পর বন দফতরের গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সম্প্রতি গবেষণাটি 'জার্নাল অফ জাপানিজ বোটানি'-এ প্রকাশিত হয়েছে। উদ্ভিদবিদ্যা সম্পর্কিত শতাব্দী প্রাচীন জার্নালে তা প্রকাশিত হওয়ার পর ওই উদ্ভিদ নিয়ে জোর চর্চা চলছে।

মাংসাশী উদ্ভিদের খোঁজ মিলল কোথায়

মাংসাশী উদ্ভিদের খোঁজ মিলল কোথায়

অত্যন্ত বিরল মাংসাশী উদ্ভিদের প্রজাতির ওই গাছটি পাওয়া গিয়েছে পশ্চিম হিমালয় অঞ্চলে। উত্তরাখণ্ডে প্রথম ওই মাংসাশী উদ্ভিদের খোঁজ মেলার পর জানা যায় ওই বিরল প্রজাতির গাছের নাম। ইউট্রিকুলারিয়া ফার্সেলাটা নামে অভিহিত করা হয় ওই মাংসাশী উদ্ভিদকে। উত্তরাখণ্ড বন দফতরের গবেষণা দল এই বিরল আবিষ্কার করেছে। এই গবেষক দলের মধ্যে ছিলেন রেঞ্জ অফিসার হরিশ নেগি এবং জুনিয়র রিসার্চ ফেলো মনোজ সিং।

হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় গবেষণা

হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় গবেষণা

প্রধান বন সংরক্ষক (গবেষণা) সঞ্জীব চতুর্বেদী জানান, "এটি শুধুমাত্র উত্তরাখণ্ডে নয়, সমগ্র পশ্চিম হিমালয় অঞ্চলে রয়েছে। তবে উদ্ভিদটি প্রথম দেখা যায় উত্তরাখণ্ডে। তারপর গবেষকরা অনুসন্ধান চালিয়ে দেখেন ওই মাংসাশী উদ্ভিদ রয়েছে পশ্চিম হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায়। তারপর ওই মাংসাশী উদ্ভিদের প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন গবেষকরা।"

উত্তরাখণ্ডে উদ্ভিদের কীটনাশক তৈরির গবেষণায় আবিষ্কার

উত্তরাখণ্ডে উদ্ভিদের কীটনাশক তৈরির গবেষণায় আবিষ্কার

প্রধান বন সংরক্ষক (গবেষণা) সঞ্জীব চতুর্বেদী আরও বলেন, এটি রাজ্যের জন্য একটি গর্বের বিষয়। এই পরিশীলিত এবং উন্নত প্রজাতির উদ্ভিদ প্রোটোজোয়া থেকে পোকামাকড়, মশার লার্ভা, এমনকী তরুণ ট্যাডপোল পর্যন্ত খেতে পারে। এই মাংসাশী উদ্ভিদ সাধারণত ব্লাডারওয়ার্টস নামে পরিচিত। এই আবিষ্কারটি উত্তরাখণ্ডে উদ্ভিদের কীটনাশক তৈরির একটি গবেষণার অংশ হিসাবে উঠে এসেছে।

শিকার ফাঁদে পড়ে গেলে ‘মুখ’ বন্ধ হয়ে যায় উদ্ভিদের

শিকার ফাঁদে পড়ে গেলে ‘মুখ’ বন্ধ হয়ে যায় উদ্ভিদের

এদিকে, ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ নামে আরেকটি মাংসাশী উদ্ভিদের উপর একটি সাম্প্রতিক গবেষণা আরেকটি বিষয় প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ গবেষণায় দেখা গেছে যখন ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ শিকারের মুখ বন্ধ করে দেয়, তখন এটি তার চারপাশে একটি দুর্বল ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি করতে পারে। উদ্ভিদের একটি বড় 'মুখ' অমৃতে ভরা, যা পোকামাকড়কে আকর্ষণ করে। একবার শিকার ফাঁদে পড়ে গেলে 'মুখ' বন্ধ হয়ে যায় এবং পোকাটি ভিতরে আটকে যায়।

‘বায়োম্যাগনেটিজম’ পদ্ধতি, গবেষণায় তথ্য

‘বায়োম্যাগনেটিজম’ পদ্ধতি, গবেষণায় তথ্য

গবেষণার প্রধান লেখক অ্যান ফ্যাব্রিক্যান্ট বলেন, "যেখানে বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ আছে, সেখানে চৌম্বকীয় কার্যকলাপও হওয়া উচিত।" এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে জীবিত জিনিসগুলি একটি ছোট বৈদ্যুতিক প্রবাহকে প্ররোচিত করে এবং পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মে প্রতিটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের পাশাপাশি একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। একে 'বায়োম্যাগনেটিজম' বলা হয়।

চৌম্বক ক্ষেত্র রেকর্ড করতে পারমাণবিক মিটার

চৌম্বক ক্ষেত্র রেকর্ড করতে পারমাণবিক মিটার

বৈদ্যুতিক সংকেতগুলি উদ্ভিদের অ্যাকশন পটেনশিয়াল থেকে আসে যা পাতার মুখ বন্ধ করে দেয়। গবেষক দলটি এই বৈদ্যুতিক সংকেতগুলি অনুসরণকারী পরবর্তী চৌম্বক ক্ষেত্র রেকর্ড করতে পারমাণবিক চৌম্বক মিটার ব্যবহার করেছিল। ফ্যাব্রিক্যান্ট বিশ্বাস করেন, এই সংকেতগুলি আগে কখনও পরিমাপ করা হয়নি। কারণ তারা পুরানো প্রযুক্তিগুলি ক্যাপচার করার পক্ষে খুব দুর্বল।

ছবি সৌ:এএনআই

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+