নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তে জোর প্রচার হিমাচলে, বিজেপি বনাম কংগ্রেসে এগিয়ে কে
নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তে জোর প্রচার হিমাচলে, বিজেপি বনাম কংগ্রেসে এগিয়ে কে
১২ নভেম্বর হিমাচল প্রদেশে এক দফায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে জমে উঠেছে হিমাচল প্রদেশের নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলো একাধিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে হিমাচলের সাধারণ মানুষের কাছে হাজির হয়েছেন। রাজৈতিক দলগুলো কখনও আক্রমণাত্মক প্রচার চালাচ্ছেন তো কখনও কটাক্ষের আশ্রয় নিচ্ছে।

হিমাচলে শেষ মুহূর্তের প্রচার
১২ নভেম্বর হিমাচলের নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে মূলত জাতীয় ইস্যুগুলোকে তুলে ধরতে দেখা যায়। অন্যদিকে, কংগ্রেস হিমাচল প্রদেশের স্থানীয় সমস্যা ও তার সমাধানের দিকে জোর দিয়েছে। হিমাচলে গত পাঁচ বছর শাসনের নামে অরাজকতা তৈরি হয়েছে বলে কংগ্রেস প্রচারে অভিযোগ করে। বিজেপি কোনও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি হলেও হিমাচলের প্রচারে সরব হয়েছেন কংগ্রেসের নেতারা।

হিমাচল প্রদেশের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
হিমাচলে ভোট গ্রহণের আর তিন দিন বাকি। হিমাচলে মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। তবে চলতি নির্বাচনে আপ প্রার্থী দিয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশেষ ভালো ফল আপ করতে পারবে না। বিজেপি গত কয়েক মাস ধরে আক্রমণাত্মকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বিজেপি গত কয়েক মাস ধরে আক্রমণাত্মকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং হিমাচলের নির্বাচনে প্রচারে অংশ গ্রহণ করেছেন। হিমাচলের বাসিন্দা জেপি নাড্ডা রাজ্যের প্রচারে কোনও খামতি রাখতে চাননি। অন্যদিকে, যদিও কংগ্রেসের প্রচারে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা ছাড়া কোনও জাতীয় স্তরের নেতৃত্বকে দেখা যায়নি।

কংগ্রেসের প্রচারে অনুপস্থিত রাহুল ও সোনিয়া
মূলত কংগ্রেস ও বিজেপি হিমাচলে জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছেন। কংগ্রেস যেমন প্রচারে অভিযোগ করছেন, বিজেপি তাদের প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেনি। অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশের প্রচারে সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর অনুপস্থিতিকে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। বিজেপি অভিযোগ করেছে, কংগ্রেস হিমাচলের মানুষকে অবহেলা করে, সেই কারণেই হিমাচলের প্রচারে অনুপস্থিত রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী।

বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকারের প্রচার
বিজেপির হিমাচলের প্রচারে একটা বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার। এই ইস্যুকে সামনে রেখে বিজেপি গুজরাতেও প্রচার চালিয়েছে। হিমাচল প্রদেশে প্রচারের সময় বিজেপি নেতারা যোগ করেছেন, কেন্দ্রে ও রাজ্যে এক সরকার থাকলে একাধিক সুবিধা পাওয়া যায়। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হয়। গত পাঁচ বছর হিমাচলের মানুষ সেই সুবিধা ভোগ করেছে। রাজ্যের আরও উন্নতির জন্য বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রচারে এসে বলেছিলেন, হিমাচল প্রদেশের সরকারের স্থিতিশীলতা নেই। যার জেরে হিমাচলের উন্নতি বাধা পাচ্ছে। স্থিতিশীল সরকারের জন্য বিজেপিকে আবার জয়ী করা দরকার।

স্থানীয় সমস্যার ওপর গুরুত্ব কংগ্রেসের
কংগ্রেসের তরফে পাল্টা প্রচারে বিজেপির বিরুদ্ধে হিমাচলে দুর্বল সরকারের অভিযোগ করা হয়েছে। কংগ্রেস হিমাচলে বেকারত্ব বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির জন্য কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে দায়ী করে। পাশাপাশি দুর্বল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্যও হিমাচলের বিদায়ী বিজেপি সরকারকে দায়ী করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications