অন্ধ্রপ্রদেশে জারি রাষ্ট্রপতি শাসন

অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে আলাদা তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের বিল সংসদে পাশ হওয়ার পরই সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কিরণকুমার রেড্ডি। তার পর জল্পনা দানা বাঁধে যে, অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ করে মে মাস পর্যন্ত অবস্থা সামাল দেবে কংগ্রেস হাইকমান্ড। কারণ, এপ্রিল-মে মাসে লোকসভা ভোটের সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভা ভোটও হবে অন্ধ্রপ্রদেশে। অন্তত চারজন কংগ্রেসি মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শামিল হন এবং ঘনঘন দিল্লিতে যোগাযোগ করেন।
অন্যদিকে, অন্ধ্রপ্রদেশের রাজ্যপাল ই এস এল নরসিংহম দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়ে ৩৫৬ ধারা মোতাবেক রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করেন। রিপোর্ট পেয়ে অন্তত এক সপ্তাহ চুপচাপ অপেক্ষা করছিল কেন্দ্রীয় সরকার। শেষ পর্যন্ত সব দিক দেখেশুনে শুক্রবার ক্যাবিনেট বৈঠকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পক্ষেই মত দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের আগে এদিনই ছিল শেষ ক্যাবিনেট বৈঠক। পৌরোহিত্য করেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।
আসলে অন্ধ্রপ্রদেশ ভাঙার প্রস্তাব সংসদের পাশ হওয়ার পর এখানে কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দল তুঙ্গে উঠেছে। সীমান্ধ্রের কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতাদের বিরোধ তো চলছেই। এখন সীমান্ধ্রের কংগ্রেস নেতারাও নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি শুরু করেছেন। মূলত সীমান্ধ্রে রাজনীতিক অবস্থান কার কী হবে, তা নিয়েই বিবাদ বেধেছে। তাই এই অবস্থায় কোনও একটি গোষ্ঠীর নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী করলে বরং পরিস্থিতি জটিলতর হত। তাই রাষ্ট্রপতি শাসনের সিদ্ধান্ত নিল কংগ্রেস হাইকমান্ড।












Click it and Unblock the Notifications