Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

CAA: সিএএ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী, ফের মোদী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট মার্কিন কংগ্রেসের

১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনকে সংশোধিত করে সিএএ তৈরি করা হয়। ২০১৯ সালে এই আইন সংসদে পাস হলেও গত মার্চে তা চালু হয়েছে। এই সংশোধিত আইনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে শরণার্থী হয়ে ভারতে আসা নাগরিকত্বের প্রমাণহীন অ-মুসলিমদের নাগরিকত্ব প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা শাখার একটি প্রতিবেদন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) সমালোচনা করেছে, যা এই বছর আইনে এসেছে এবং দাবি করেছে যে এটি ভারতের সংবিধানের কিছু বিধান লঙ্ঘন করতে পারে।মার্কিন কংগ্রেসের একটি স্বাধীন গবেষণা শাখা এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

CAA

এই রিপোর্টে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি বা এনআরসি-র সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সিএএ ভারতীয় মুসলিম জনসংখ্যার অধিকার খর্ব করতে পারে। রিপোর্টে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে, যারা সিএএ-র বিরোধিতা করছে তারা শাসকদল বিজেপির উদ্দেশ্যের প্রতি সন্দিহান।

উল্লেখযোগ্যভাবে সিএএ, যা ভারতের ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে, এই বছরের মার্চ মাসে কার্যকর হয়েছিল। কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) একটি সংক্ষিপ্ত 'ইন ফোকাস' রিপোর্টে বলা হয়েছে, "সিএএ-র মূল বিধানগুলি - তিনটি দেশের ছয় ধর্মের অভিবাসীদের নাগরিকত্বের পথের অনুমতি দেওয়া মুসলিমদের বাদ দিয়ে - ভারতীয় সংবিধানের কিছু ধারা লঙ্ঘন করতে পারে। এতে মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষদের অধিকার খর্ব হতে পারে। এই আইন ভারতের সংবিধানের বিরোধী।"

সিআরএস হল মার্কিন কংগ্রেসের একটি স্বাধীন গবেষণা শাখা যা কংগ্রেসের সদস্যদের আগ্রহের বিষয়গুলির উপর প্রতিবেদন তৈরি করে যাতে তারা জ্ঞাত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সিআরএস রিপোর্টগুলি কংগ্রেসের মতামতের একটি অফিসিয়াল রিপোর্ট হিসাবে বিবেচিত হয় না।

গত মাসে সিএএ কার্যকরের বিজ্ঞপ্তি জারির পরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বার্তা দিয়েছিল জো বাইডেনে সরকার। বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার আগেই বলেছিলেন, "গত ১১ মার্চ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে সেটা নিয়ে আমরা গভীরভাবে চিন্তিত। ভারতে কীভাবে এই আইন কার্যকর হবে, সেদিকে কড়া নজর রাখছি। গণতন্ত্রের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে অন্যতম ধর্মীয় স্বাধীনতা আর সকল সম্প্রদায়ের সমানাধিকার।"

সিএএ আইনে বলা হয়েছে পড়শি দেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে যারা ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত যাঁরা ভারতে এসেছেন(মুসলিম ধর্মের মানুষ বাদে), তাঁদেরই কোনও নথি ছাড়াই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+