ঠিক হয়ে গেল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দুই ডেপুটির নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদীর সভাপতিত্বে হওয়া বৈঠকে সিদ্ধান্ত
জাতীয় নির্বাচন কমিশনে দুই কমিশনারের পদ পূরণ করতে দুই আমলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। দুটি শূন্যপদের জন্য সুখবীর সিং সান্ধু এবং জ্ঞানেশ কুমারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এদিন সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনার বাছাই করতে এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচনী কমিটি বৈঠকে বসে। প্রধানমন্ত্রী মোদী, সংসদে বিরোধী দলের নেতা অধীর চৌধুরী ছাড়াও তিন সদস্যের নির্বাচনী কমিটির অপর সদস্য হলেন একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এদিন ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

দুই আমলা সুখবীর সিং সান্ধু এবং জ্ঞানেশ কুমার ১৯৮৮ সালের ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার। সান্ধু উত্তরাখণ্ডের এবং কুমার কেরল ক্যাডারের। সান্ধু উত্তরাখণ্ডের মুখ্যসচিব ছাড়াও দেশের জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ছিলেন। অন্যদিকে কুমার সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রকের সচিব ছাড়াও অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রকের সচিব হিসেবে কাজ করেছেন।
দুই কমিশনার বাছাই কমিটিতে দেশের প্রধান বিচারপতির জায়গায় একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে আনতে আইন সংশোধন করা নিয়ে কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের প্রধান বিচারপতির এই কমিটিতে থাকা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেছেন, গত বছরের নতুন আইন এই বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতা কমিয়ে দিয়েছে। কারণ সেখানে সরকারের প্যানেল সংখ্যাগরিষ্ঠ, তারা যা চায় তাই হয়।
অধীর চৌধুরী বলেছেন, বুধবার রাতে তাঁকে বাছাইয়ের জন্য ২১২ টি নাম দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি একটি বাছাই তালিকা চেয়েছিলেন, যাতে সেখান থেকে প্রার্থীদের আরও বাছাই করা যেতে পারে। কিন্তু তিনি সেই সুযোগ পাননি। তিনি মধ্যরাতে দিল্লিতে পৌঁছেছেন, আর বৃহস্পতিবার দুপুরে বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।
অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন, বৈঠকের আগে তাঁকে ছটি নাম দেওয়া হয়েছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠাতা যাদের রয়েছে তারাই তাদের পছন্দের প্রার্থীদের বেছে নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন বহরমপুরের বিদায়ী সাংসদ। তিনি জানিয়েছেন, বৈঠকে তিনি ভিন্ন নোট দিয়েছেন এবং নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এদিন অধীর চৌধুরী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অরুণ গোয়েলের পদত্যাগের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, যখন গোয়েলকে নিযুক্ত করা হয়েছিল, তখন বিদ্যুতের গতিতে করা হয়েছিল। গত ৪ মার্চ অরুণ গোয়েল পদত্যাগ করেন এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুপ পাণ্ডে পদ থেকে অবসর নেন। ফলে দুই নির্বাচন কমিশনারের পদ খালি ছিল।












Click it and Unblock the Notifications