মোষের সিং পালিশ করতে ১৬ লাখ টাকা খরচ! পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি নিয়ে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে
ঘটনা ১৯৯০ সালের। সেই সময়ে বিহারের মসনদে ছিলেন আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব। বর্তমানে যিনি রয়েছেন জেলবন্দি অবস্থায়। তাঁর বিরুদ্ধে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি ঘিরে একাধিক অভিযোগেরে জেরেই এই শ্রীঘরবাস!
ঘটনা ১৯৯০ সালের। সেই সময়ে বিহারের মসনদে ছিলেন আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব। বর্তমানে যিনি রয়েছেন জেলবন্দি অবস্থায়। তাঁর বিরুদ্ধে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি ঘিরে একাধিক অভিযোগেরে জেরেই এই শ্রীঘরবাস! আর সাম্প্রতিক এক তথ্যে এই পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি ঘিরে লালুর অস্বস্তি বাড়িয়ে বিহারের নীতীশ কুমারের সরকার তুলে ধরেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বিহার বিধানসভায় বাদল অধিবেশন চলাকালীন এক আলোচনায় সরকারের তরফে পশুখাদ্য কেলঙ্কারির প্রেক্ষাপটে জানানো হয়েছে, ৪৯,৯৫০ লিটারের সরষের তেল কেবলমাত্র মোষের সিং পালিশ করতে ব্যবহার করা হয়েছে। যার দাম ছিল ১৬ লাখ টাকা। ১৯৯০-৯১ থেকে ১৯৯৫-৯৬ সালের দীর্ঘ সময় জুড়ে এই পরিমাণ অর্থে কেনা হয়েছে দামী সরষের তেল, যা দিয়ে মোষের সিং পালিশ হয়েছে দিনের পর দিন। এমন খরচের হিসাব দিয়েছিলেন তৎকালীন 'হটওয়ার' দুগ্ধ সংস্থার মালিক। যাঁর দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তৎকালীন বিহারের বেশ কয়েকজন সরকারী আধিকারিকও। এমনই দাবি করা হয়েছে নীতীশ কুমার সরকারের তরফে।
এখানেই শেষ নয়, বিহারের চাইবাসা, দুমকা, জামশেদপুর,গুমলা, পাটনা জেলার ৯৫৯ টি ভেড়া, ৫৬৬৪টি শুকর,৪০,৫০৪টি মুরগী, ১৫৭৭ টি ছাগলের জন্য সেই সময় কেনা হয়েছিল খাবার। যার খরচ হয় ২৫৩.৩৩ টাকা। অথচ সরকারী তথ্য অনুযায়ী ১০.৫৩ কোটি টাকা এতে খরচ হওয়ার কথা। বিহার সরকারের হিসাব বলছে, পশুখাদ্যে সেই সময় হিসাব অনুযায়ী ১০ শতাংশ হলুদ ভুট্টা মেশানোর কথা ছিল। সেই জায়গায় ১১৫ গুণ বেশি ভুট্টা। যার খরচ হয় ১৫৪.৭২ কোটি টাকা।












Click it and Unblock the Notifications