কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২০ : রিয়েল এস্টেট সেক্টরের মূল চ্যালেঞ্জ ও সমস্যার সমাধানের প্রস্তাব কী হতে পারে
বাজেট ২০২০! রিয়েল এস্টেট সেক্টরের মূল চ্যালেঞ্জ ও সমস্যার সমাধানের প্রস্তাব
বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জনপ্রিয় হতে চলেছে, অফিস স্পেস এবং লজিস্টিক সাব সেক্টরের মতো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ। যদিও আবাসিক সেক্টরকে শক্ত বাতাসের মুখোমুখি হতে হলেও, সেখানে সুযোগ তৈরির সম্ভাবনাও রয়েছে। এই সেক্টরের বর্তমান অবস্থা হল, যাঁরা বিনিয়োগ করবেন, দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে সতর্কতার সঙ্গে দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে।

মূল চ্যালেঞ্জ
- ব্যাঙ্ক এবং এনবিএফসি সংস্থাগুলি থেকে অর্থ পাওয়ার ব্যাপারে অসুবিধা। এছাড়াও বড় প্রোজেক্টগুলির জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে স্বল্প সুদে অর্থ পাওয়ার ব্যাপারে অসুবিধা।
- নির্মীয়মানপ্রোজেক্টগুলিতে অবিক্রিত আবাসিক ইউনিটঅতিরিক্ত লেনদেন বিবেচনার পরেও শহরাঞ্চলে ঘরগুলির সাশ্রয়যোগ্যতানির্মাণ খরচের ওপর জিএসটির প্রভাব, বিশেষ করে লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে, পর্যাপ্ত ধার পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও শুল্কও বেশি।
- জমি সংক্রান্ত বিষয়ে জমির মালিক এবং এবং ডেভেলপারদের চুক্তির ওপর জিএসটির প্রভাব।

শিল্পের দাবি
- অবিক্রিত আবাসিক ইউনিট কেনার ক্ষেত্রে ক্যাপিটাল গেনে একদফা ছাড়
- ঘর সম্পত্তির ক্ষতির ক্ষেত্রে যা ২ লক্ষ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ, তা ফেরত নেওয়া
- প্রথমবারের জন্য যাঁরা বাড়ি কিনছেন, তাদেরকে জিএসটি থেকে ছাড় দেওয়া। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে অবিক্রিত আবাসিক ইউনিট বিক্রিতে গতি আসবে
- সাশ্রয়ী মূলের আবাসন প্রকল্পগুলির জন্য ট্যাক্স ছুটি ২০২০-র মার্চের পরেও বজায় রাখা
- রিয়েল এস্টেট সেক্টরে যে সব সংস্থা ঋণ দিচ্ছে সেইসব এআইএফ এবং এফপিআইগুলির ক্ষেত্রে ট্যাক্স রেট ৫ শতাংশ রাখা
- যেসব প্রকল্পগুলি থমকে রয়েছে কিংবা সমস্যার মধ্যে রয়েছে, সেগুলিকে এককালীন উৎসাহ দেওয়া

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য
- বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য হল ২০২৪ নাগাদ ভারতকে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে নিয়ে যেতে গেলে রিয়েল এস্টেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। সামাজিক ক্ষেত্রেও এই সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে ক্রেতা, বিনিয়োগকারী এবং ডেভেলপাররা আশা করছেন বাজেটে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকবে।
- পাশাপাশি সরকারেরও রেন্টাল হাউজিং-এর ওপর প্রকল্প নিয়ে আসা উচিত। একদিকে যেমন যুব সম্প্রদায় থাকার জায়গা পরিবর্তন করে, ঠিক তেমনই সিনিয়র সিটিজেনদের নিয়মিত আয় দরকার।
- রেন্টাল ইনকামে স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৩০ শতাংশ। যা বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার দাবি তোলা হয়েছে।
More From
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications