যাঁরা দুর্বল তাঁদের জোটের প্রয়োজন হয়, সরকার গড়ার দাবি জানিয়ে বিস্ফোরক বিএসপি নেতা সতীশ মিশ্র
যাঁরা দুর্বল তাঁদের জোটের প্রয়োজন হয়, সরকার গড়ার দাবি জানিয়ে বিস্ফোরক বিএসপি নেতা সতীশ মিশ্র
কোনও জোট নয় একাই লড়াই হবে। উত্তর প্রদেশের বিধানসভা ভোটে একক লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে বিস্ফোরক আক্রমণ বিএসপির সাধারণ সম্পাদক সতীশ মিশ্রর। তিনি দাবি করেছেন যাঁরা দুর্বল তাঁদেরই জোটের প্রয়োজন হয়। যাঁরা নিজেরাই শক্তিশালী তাঁদের কারোর সঙ্গে জোটের প্রয়োজন হয় না। ব্রাহ্মন আর দলিত সকলেই তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। কাজেই জয়ের ক্ষেত্রে তাঁরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত বলে দাবি করেছেন।

জয়ের বার্তা বিএসপি নেতার
করোনা আবহেই ভোট হবে উত্তর প্রদেশে। সাত দফায় নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিয়েছে কমিশন। তবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কোনও নির্বাচনী মিটিং মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে কমিশন। সেকারণে সব রাজনৈতিক দলই কোমর কষেছে ভোটের ভার্চুয়াল প্রচারে। ইতিমধ্যেই প্রচারে শান দিয়েছে শাসক দল বিজেপি থেকে শুরু করে সমাজবাদী পার্টি, বহুজনক সমাজপার্টি এবং কংগ্রেস। উত্তর প্রদেশের বিধানসভা ভোটে এবার বহুজন সমাজপার্টিই জয়ী হবে বলে বার্তা দিয়েছেন বিএসপির সাধারণ সম্পাদক সতীশ মিশ্র।

একা লড়াইয়ের বার্তা
বিএসপি কারোর সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটে লড়বে না সেই বার্তা আগেই দিয়েছিলেন দলের সুপ্রিমো মায়াবতী। তবে কয়েকদিন আগে বিএসপি নেতারা যেভাবে সমাজবাদী পার্টির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিলেন তাতে দলে ভাঙনের ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু নেত্রী কড়া হাতে রাশ সামলেছেন। তারপরেই দলের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন উত্তর প্রদেশের ব্রাহ্মণ এবং দলিতরা তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। কাজেই জয়ের বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সমীক্ষা বলছে উত্তর প্রদেশের ব্রাহ্মণরা বিজেপির প্রতি ভীষণ ভাবে রুষ্ট। যোগী সরকারের প্রশাসনে প্রবল ক্ষুদ্ধ তারা। সেকারণে ব্রাহ্মণ ভোটব্যাঙ্ক ধরতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সমাজবাদী পার্টিও। ইতিমধ্যেই সপার পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণ সমাবেশ করা হয়েছে।

ভোটে লড়বেন না মায়াবতী
ভোটে লড়বেন না মায়াবতী। গতকালই দলের পক্ষ থেকে জানিয়ে েদওয়া হয়েছিল সেকথা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এবারের বিধানসভা ভোটে লড়বেন না সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদবও। কাজেই ২০২২-র বিধানসভা ভোটে বিএসপি এবং সমাজবাদী পার্টির দুই সুপ্রিমোকেই ভোটের ময়দানে পাওয়া যাবে না। তাঁরা প্রত্যক্ষ লড়াইয়ের পথে হাঁটবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। কাজেই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কিছুটা হলেও হেভিওয়েট প্রার্থীর ভিড় কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংখ্যালঘুদের সমর্থনও বিএসপির সাথে
সতীশ মিশ্র দাবি করেছেন উত্তর প্রদেশের মুসলিমরাও তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। কারণ কংগ্রেসের জমানাতেও উত্তর প্রদেশে দাঙ্গা হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির শাসনেও একই অবস্থা হয়েছিল মুসলিমদের। বিজেপির শাসনে কি অবস্থা সেটা তো আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। কাজেই মুসলিম ভোটাররাও বিএসপির সঙ্গে রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications