Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সরষের মধ্যে ভুত! NSG ক্যাম্পাসে নির্মাণে কারচুপি, ১২০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার BSF কমান্ডান্ট

সরষের মধ্যে ভুত! NSG ক্যাম্পাসে নির্মাণে কারচুপি, ১২০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার BSF কমান্ডান্ট

প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতা বিএসএফ কমান্ডান্ড। মানেসররে এনএসজি ক্যাম্পানে নির্মাণের জন্য ঠিকাদার সংস্থার কাছ থেকে ১২৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। তার পরেই ভলেন্টারি রিটায়মেন্ট নিয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর ছক কষছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা সফল হয়নি। তার আগে ধরা পড়ে যায় জালিয়াতি। গ্রেফতার করা হয় বিএসএফ কর্তাকে।

১২০ কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগে গ্রেফতার BSF কমান্ডান্ট

সেনাবাহিনীতেই দুর্নীিতর অভিযোগ বিএসএফ কর্তার বিরুদ্ধে। গত ৯ এবং ১০ জানুয়ারি বিএসএফ কর্তার বিরুদ্ধে মানেসর থানায় অভিযোগ দায়ের করে দুই সংস্থা। তাঁরা অভিযোগ জানায় নির্মাণের বরাত পাওয়ার জন্য বিএসএফ কর্তাকে দুই দফায় ১২৫ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। তারপরেই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করা হয়। এসিপি প্রীত পল সাঙ্গওয়ানের নেতৃত্বে শুরু হয় তদন্ত।এছাড়াও সেই সিটে ছিলেন মানেসররের ক্রাইম ইউনিটের ইনচার্জ সন্দীপ এবং ইকোনমিক ওফেন্স উইংয়ের আধিকারীকরা।

মঙ্গলবার বিএসএফের ডেপুটি কমান্ডান্ট প্রবীন যাদবের স্ত্রী মমতা এবং বোন ঋতুরাজকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে দীনেশ নামে এক দালালকে। ভলেন্টারি রিয়ারমেন্ট নিয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর ছক কষছিলেন বিএসএফ কমান্ডান্ট। কিন্তু তার আগেই তাঁকে ধরে ফেলে পুলিশ। মানেসররে এনএসজি ক্যাম্পাসে নির্মাণের নাম করে দুই সংস্থার কাছে টাকা নিয়েছিলেন তিনি। বেশ কয়েকদিন পরে তাঁরা বুঝতে পারেন বিষয়টিতে গলদ রয়েছে তারপরেই সেই টাকা ফেরত চাইতে শুরু করেছিল কোম্পানি গুলি। পুরোটাই ভুয়ো চুক্তি পত্র সই করিয়ে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন বিএসএফ কর্তা।অভিযুক্ত বিএসএফ কর্তা ২০১২ সালে যোগ দিয়েছিলেন ডেপুটি কমান্ডান্ট হিসেবে। নুহ-র বাসিন্দা তিনি। ২০১৯ সালে কনস্ট্রাকশন উইংয়ে মানেসরের এনএসজি ক্যাম্পাসে বদলি করা হয়েছিল তাঁকে। সেখানে তাঁর দায়িত্ব ছিল সব এবনএসজি নির্মাণের তদারকি করা। মে মাসেই তাঁর ডেপুটেশন শেষ হয়ে গিয়েছিল। বিএসএফে যোগদানের পর েথকেই নানা বিধ বিতর্কিত কাজে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। শেয়ার বাজারে প্রচুর টাকা ইনভেস্ট করে তিনি দেনায় ডুবে গিয়েছিলেন তিনি। অনেক টাকা ধার করেছিলেন বাজার থেকে। গত বছর তিনি যখন এনএসজি ক্যাম্পাস ছাড়েন তখন বাইরে ৫০ কোটি টাকার মত ধার ছিল তাঁর।

সেই ধার মেটাতেই প্রতারণার ছক কষেছিলেন বিএএফ কর্তা। তিনি এনএসজি সংস্থায় নির্মাণের নাম করে ভুয়ো সংস্থা খুলে বাইরের একাধিক নির্মাণ সংস্থার কাছে ১২৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন তিনি। দিনেশ নামে এক দালাল তাঁকে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিল সেই সংস্থাগুলির সঙ্গে। কাজেই যাদবের এই জালিয়াতির অংশিদার ছিল দিনেশও।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+