ভারতে এসে সচিন-অমিতাভের মতো অভ্যর্থনা পেয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ভারতে এসে সচীন-অমিতাভের মতো অভ্যর্থণা পেয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
শুক্রবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জাতীয় রাজধানীর হায়দ্রাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেছেন। বরিস জানিয়েছেন আমেদাবাদে নামার সময় তিমি যে অভ্যর্থনা পেয়েছেন তাতে তিনি উচ্ছ্বসিত। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দু'দিনের সফরে বৃহস্পতিবার ভারতে এসেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নরেন্দ্র মোদী এবং ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানাই এরকম গ্র্যান্ড অভ্যর্থনার জন্য। ভারতে নামার সময় আমাকে যেরকম অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে তাতে আমি সচিন তেন্ডুলকরের মতো অনুভব করেছি এবং যখন রাস্তায় যাতায়াতের পথে হোর্ডিংগুলি দেখেছিলাম তখন নিজেকে অমিতাভ বচ্চনের মনে হয়েছে৷ মোদীর সঙ্গে দেখা করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন শুক্রবার প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য এবং পরিচ্ছন্ন শক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও প্রসারিত করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তার আগেই ইংল্যান্ড জানিয়েছে যে তারা ভারতকে যুদ্ধে বিমান তৈরির বিষয়ে ব্রিটিশদের সর্বোত্তম প্রযুক্তির বিষয়ে তথ্য শেয়ার করবে৷
জানা গিয়েছে, ভারত মহাসাগরে চিনের হুমকি মোকাবেলায় নতুন প্রযুক্তির জন্য ভারতকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে ইংল্যান্ড৷ বরিসের ভারত সফরকালেই ইংল্যান্ডের হাইকমিশন জানিয়েছে বিশ্বের স্বৈরাচারী রাষ্ট্রগুলির ক্রমবর্ধমান হুমকির সম্মুখীন বিশ্ব, যা গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে চায়, অবাধ ও ন্যায্য বাণিজ্য বন্ধ করতে এবং সার্বভৌমত্বকে পদদলিত করতে চায় এরা। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অংশীদারিত্ব এই ঝড়ো সমুদ্রে একটি আলোকবর্তিকা মতো।জনসন হাই কমিশনের দ্বারা উদ্ধৃত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত ভারতে নামার পরপরই, 'ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন টুইট করেছেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতে আসা দুর্দান্ত। আমাদের মহান জাতিগুলি একসঙ্গে যা অর্জন করতে পারে তার বিশাল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। আমাদের সম্মিলিত অংশীদারিত্ব কাজ, বৃদ্ধি এবং নতুন সুযোগ প্রদান করছে। আমি আগামী দিনে এই অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে উন্মুখ।'












Click it and Unblock the Notifications