কফিন বন্দি হয়ে ফিরলেন ব্রিজেশ, মা বললেন, দেশের জন্য সেনাবাহিনীতে সন্তানদের পাঠানো উচিত
ছেলের নিথর দেহ কফিন বন্দি। কাশ্মীরে জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ব্রিজেশ থাপা। ২৭ বছরের জওয়ানকে শ্রদ্ধা জানানো হয়৷ সেখানে মায়ের চোখ জলে ভরেছিল৷ তবুও বললেন, দেশের সুরক্ষার জন্য মায়েদের উচিত সেনাবাহিনীতে সন্তানদের পাঠানো। ছেলে মারা গেলেও তিনি গর্বিত।
বাংলার সন্তান ব্রিজেশ থাপা দেশের জন্য শহিদ হয়েছেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে প্রাণ গেল তাঁর। সোমবার রাতে কাশ্মীরের ডোডায় জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার শিলিগুড়ির বাড়িতে ছেলের মৃত্যু সংবাদ এসে পৌঁছায়৷ বাবা অবসরপ্রাপ্ত মিলিটারি কর্নেল। ছেলের চলে যাওয়ার যন্ত্রণা আছে। কিন্তু ছেলে দেশ মায়ের জন্য শহিদ হয়েছেন। সেই ঘটনাও গর্বিত করছে বাবা - মাকে।
জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের সেনা জওয়ান ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ থাপা। তাঁর নিথর দেহ আজ বুধবার দিল্লি থেকে বিশেষ বিমানে বাগডোগরা নিয়ে আসা হয়। বিমান অবতরণের পর ব্যাঙডুবি সেনাবাহিনীর ছাউনিতে কফিন বন্দি দেহ আসে।
সেখানেই বাহিনীর পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিং লোকসভা সাংসদ রাজু বিস্তা, জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, পুলিশ সুপার প্রবীন প্রকাশ, জিটিএ চিফ এক্সিকিউটিভ অনীত থাপা, শিলিগুড়ি মহকুমাশাসক অবধ সিঙ্ঘল সহ অন্যান্য সেনাবাহিনীর পদাধিকারীরা।
এদিন শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আগামী কাল পার্থিব শরীর দার্জিলিং যাবে বলে। ছেলের শহিদেও গর্বিত মা। দেশকে রক্ষা করছে তাঁর সন্তান। সেনাবাহিনীর জওয়ানরা সীমান্তে আছে বলেই দেশের মানুষ নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। গোটা পরিবার এদিন শেষ শ্রদ্ধা জানান।
অন্যদিকে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফের এয়ার স্টাইক দরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা এই কথা জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications