খুব শিঘ্রই পদন্নোতি হওয়ার কথা ছিল ব্রিগেডিয়ার লাখবিন্দার লিদ্দারের! কিন্তু মাঝ আকাশেই সবশেষ
তামিলনাড়ুতে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রয়াত সিডিএস বিপিন রাওয়াত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত সহ সেনার একাধিক উচ্চপদস্থ কর্তারা। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় অভিশপ্ত ওই কপ্টারে থাকা সবারই মৃত্যু হয়েছে। আর এই ঘোষণা সামনে আসা
তামিলনাড়ুতে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রয়াত সিডিএস বিপিন রাওয়াত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত সহ সেনার একাধিক উচ্চপদস্থ কর্তারা। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় অভিশপ্ত ওই কপ্টারে থাকা সবারই মৃত্যু হয়েছে। আর এই ঘোষণা সামনে আসার পর থেকেই শোকের ছায়া গোটা দেশে।

দেশের প্রধান তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়কের এহেন মৃত্যু যেন কেউ মেনে নিতে পারছে না। আর যেখানে সবথেকে সুরক্ষিত বিমানে সওয়ারি ছিলেন বিপিন রাওয়াত সেখানে কীভাবে এই ঘটনা? সেটাই ভাবাচ্ছে সেনা কর্তাদের। যদিও সর্বস্তরে তদন্তের কথা বলা হয়েছে।
রাওয়াত ছাড়াও একাধিক সেনাকর্মী এবং অফিসারের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন হলেন ব্রিগেডিয়ার লাখবিন্দার লিদ্দার। হরিয়ানার পাঁচকুল্লার এই অফিসার সিয়াচেন, কাশ্মীর হিমাচল সীমান্তের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতে কর্তব্যরত ছিলেন। গত এক বছরেরও বেশি ধরে সিডিএস বিপিন রাওয়াতের স্টাফ হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
এক সময়ে জম্মু-কাশ্মীরে রাইফেলসে সেকেন্ড ব্যাটেলিয়ানের কমান্ডিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন। কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো রাওয়াতের টিম থেকে বিদান নিতেন। কোনও ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার কথা ছিল। পদন্নোতি সামনেই ছিল। কিন্তু তা আর হল কই!!
একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ারের ছেলে হিসাবে সম্মানের সঙ্গেই সেনাবাহিনীতে কাজ করে গিয়েছেন তিনি। তাঁর কর্মজীবনে কোনওদিনই দেশের গরিমা নষ্ট হতে দেননি। তিব্বত এবং হিমাচলের সীমান্তেও কমান্ডিং অফিসার হিসাবে কাজ করে গিয়েছেন। পরে দিল্লিতে ন্যাশানাল ডিফেন্স কলেজ থেকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত একটি কোর্স করেন। শুহদু অফিসার হিসাবে কর্তব্য সামালানোই নয়। দেশের প্রতিরক্ষা নিয়ে একাধিক লেখালিখিও করেছেন।
গত সেপ্টেম্বরেই প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ওই কোর্সের জন্যে একটি আর্টিকেল লেখেন তিনি। যার শিরোনাম ছিল 'চায়নাস কাউন্টার স্পেশ ক্যাপাবিলিটিস'।
বন্ধু এবং সহকরমীদের মধ্যে টনি বলেই পরিচিত ছিলেন এই অফিসার। তাঁর স্ত্রী গিতিকা একজন শিক্ষিকা। মাত্র কয়েকদিন আগেই ২৮ নভেম্বর তাঁর মেয়ের একটি বই প্রকাশিত হয়। দ্বাদশ শ্রেনির ছাত্রী লেখা সেই বই প্রকাশে উপস্থিত ছিলেন বিপিন রাওয়াতের স্ত্রী মধুলিকা রাওয়াত। এবং পুদুচেরির গরভনর কিরন বেদী।
অন্যদিকে জেনারেল রাওয়াতের টিমে থাকা আরও এজ অফিসারের মৃত্যু হয়েছে। ল্যাফেটেন্ট কর্নেল হারজিন্দর সিং ছিলেন গোর্খ্যা রাইফেলসের সদস্য। রাওয়াত নিজেও ছিলেন গোর্খা রাইফেলসের সদস্য। সিয়াচেন সীমান্তে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সেনাবাহিনীর এই অফিসার। রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতেও কাজ করেছেন ল্যাফেটেন্ট কর্নেল হারজিন্দর সিং।












Click it and Unblock the Notifications