শুধু বিরোধীদের অভিযোগই নয়, এবার পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যুতে বম্বে হাইকোর্টের ধাক্কা মমতার সরকারকে
পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের এতদিন অভিযোগ ছিল বিরোধীদের। কেন্দ্রের তরফেও রাজ্যের বিরুদ্ধে এনিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এবার বম্বে হাইকোর্ট জানাল, করোনা অতিমারী পরিস্থিতিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়টি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারেনি রাজ্য সরকার। সরকার পরিযায়ীদের ঘরে ফেরার অনুমতি দেয়নি বলেও আদালতের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি অনুজা প্রভুদেশাইয়ের পর্যবেক্ষণ
বম্বে হাইকোর্টে আবেদন দাখিল করেছিল সিটু। যার শুনানিতে ছিলেন বম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অনুজা প্রভুদেশাই। লকডাউনে মুম্বইয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের দুর্দশা তুলে ধরা হয়েছিল সিটুর আবেদনে।

চাহিদা নেই শ্রমিক স্পেশালের
আবেদনকারী আবেদনে বলেছিলেন, শ্রমিক স্পেশালে নিজ রাজ্যে ফেরার জন্য মহারাষ্ট্র সরকার নাম নথিভুক্তির জন্য যে বন্দোবস্ত করেছিল, তা জটিল। সেই পদ্ধতি সরলীকরণের জন্য আবেদন করা হয়েছিল আদালতে। সরকার গতমাসে আদালতে জানায় সেখানে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনের আর কোনও চাহিদা নেই।
তবে আবেদনকারীর তরফের আইনজীবী গায়েত্রী সিং আদালতকে জানান, সরকার যে জানিয়েছে, নিজ রাজেয ফিরে যেতে চায় এমন কোনও শ্রমিক আটকে নেই, এই তথ্য ভুল।

এখনও ৫৬ হাজার শ্রমিক আটকে বলে দাবি
কিন্তু আদালতে আবেদনকারী দাবি করেন, সেখানে কমবেশি এখনও ৫৬ হাজার এমন শ্রমিক রয়েছেন, যাঁরা নিজ রাজ্যে ফিরে যেতে চান। এর মধ্যে অনেকেই পশ্চিমবঙ্গের বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য
প্রধান বিচারপতি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি জানেন? একটা সময়ে রাজ্য সরকার পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরার অনুমতি দেয়নি। তবে তারা(আদালত) কারও বিরুদ্ধে কিছু বলতে চান না। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি সঠিকভাবে পরিচালনা করা হয়নি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তিনি এব্যাপারে ৩০ জন আটকে পড়া শ্রমিকের কথা বলেন। যাঁরা মহারাষ্ট্রের রত্নাগিরিতে আটকে পড়েছিল। নিজেরাই বাসের ব্যবস্থা করে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে ফেরত যায়।
আদালত বলেছে, প্রত্যেক পরিযায়ী সরকারের ওপর নির্ভরশীল নয়। এরকম অনেকেই নিজের রাজ্যে ফিরতে নিজেরাই বন্দোবস্ত করে নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications