বিধানসভা নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রদেশে বিজেপির বড় জয়! এগোল কংগ্রেসও
মধ্যপ্রদেশে পুরসভা নির্বাচনে বড় জয় পেল শাসক বিজেপি। তবে কংগ্রেসও পিছিয়ে নেই। ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে হল ছোটখাটো শক্তি পরীক্ষা।
এই বছরের শেষের দিকে মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে পুরসভা নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির।
শুক্রবার যে ১৯ টি নগর সংস্থায় নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে ১১ টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে ৮ টি গরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস।

বিজেপি দখল করেছে ১১ টি নগর সংস্থা
মধ্যপ্রদেশ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব রাকেশ সিং নগর সংস্থার ফলাফল প্রকাশ করে জানিয়েছেন, রাজ্যের ১৯ টি সংস্থার মধ্যে ১১ টিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস জয়ী হয়েছে আটটিতে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছে এই ১৯ টি নগর সংস্থা। এই নদর সংস্থাগুলিরে আসন সংখ্যা ৩৪৩।

বিজেপি পেয়েছে ১৮৩ কাউন্সিলর
শুক্রবার নির্বাচনের পরে সোমবার মধ্যপ্রদেশের ১৯ টি পুরসভার নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে বিজেপির প্রার্থী ১৮৩ টি আসনে জয়ী হয়েছে। অর্থাৎ তারা ১৮৩ জন কাউন্সিলরকে পদ্ম প্রতীকে জিতিয়ে আনতে পেরেছে। অন্যদিকে কংগ্রেস জিতেছে ১৪৩ টি ওয়ার্ডে। শুক্রবার সবমিলিয়ে ৩৪৩ টি ওয়ার্ডে নির্বাচন হয়েছিল।

কংগ্রেস জয়ী দিগ্বিজয়ের গড়ে
কংগ্রেস যেসব নগর সংস্থার নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রদেশের রাঘোগড় পুরসভাও। যা প্রবীন কংগ্রেস নেতা এবং রাজ্যসভার সাংসদ দিগ্বিজয় সিং-এর গড় বলেই পরিচিত। এব্যাপারে তথ্য দিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে রাঘোগড় পুরসভায় কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ১৬ টি আসনে এবং বিজেপি জয়ী হয়েছে আটটি আসনে। সেখানকার মোট আসন সংখ্যা ২৪।

মধ্যপ্রদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি
২০১৮-র নভেম্বরের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করে। ২৩০ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস পায় ১১৪ টি আসন। বিজেপি পায় ১০৯ টি আসন। বহুজন সমাজপার্টি ২ টি, সমাজবাদী পার্টি ১ টি এবং নির্দলয়ীরা ৪ টি আসন দখল করে। মুখ্যমন্ত্রী হন কমলনাথ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোয় ১৫ মাস পরেই তিনি পদত্যাগে বাধ্য হন। মুখ্যমন্ত্রী হন শিবরাজ সিং চৌহান। তারপর থেকে তিনি মুখ্যমন্ত্রী। ফের হিন্দি বলয়ের এই রাজ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা ২০২৩-এর নভেম্বরে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications