উত্তরপ্রদেশ, বিহারে বিজেপি-ঝড়, সিএসডিএস সমীক্ষায় ইঙ্গিত

কী বলা হয়েছে সমীক্ষায়?
এখনই যদি ভোট হয়, তা হলে উত্তরপ্রদেশে ৪১-৪৯টি আসন পাবে বিজেপি। প্রসঙ্গত, এই রাজ্যে লোকসভা আসন হল ৮০টি। অর্থাৎ ৫০ শতাংশের বেশি আসন পেতে চলেছে তারা। মুলায়ম সিংহের সমাজবাদী পার্টি পাবে ১১-১৭টি আসন। মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি পেতে পারে ৮-১৪টি আসন। সবচেয়ে করুণ দশা কংগ্রেসের। ৫-৯টি আসন পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে তাদের। ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি-র প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ১৮ শতাংশ। এবার সেটা বেড়ে ৩৬ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ দ্বিগুণ।
একই ছবি বিহারেও। নীতীশ কুমারের উন্নয়নের স্লোগানে মানুষ যে আর ভরসা রাখছে না, তা বোঝা যাচ্ছে। বিহারে লোকসভা আসন হল ৪০টি। দেখা যাচ্ছে, বিজেপি-এলজেপি জোট পেতে পারে ২২-৩০টি আসন। নীতীশ কুমারের সংযুক্ত জনতা দল পেতে পারে ৪-৮টি আসন। অথচ ২০০৯ সালে সংযুক্ত জনতা দল পেয়েছিল ২০টি আসন।
একটা ব্যাপার পরিষ্কার। তা হল, দু'রাজ্যেই সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ মানুষ। অখিলেশ সিং যাদবের রাজ্যে না হয় এটা প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু, নীতীশ কুমারের রাজ্যেও যে এমন দশা হবে, সেটা খানিকটা অপ্রত্যাশিত বৈকি! কারণ লালুপ্রসাদের জমানার অবসান ঘটিয়ে নীতীশ বিহারে নতুন যুগের সূচনা করেছেন বলে দাবি করা হয়।
ভোটের এখনও এক মাস বাকি। এই প্রবণতা যদি চলতে থাকে, তা হলে বিজেপি যে তাদের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে নেবে, সেটা খুব স্বাভাবিক। পাখির চোখ তাই ১৬ মে!












Click it and Unblock the Notifications