বিজেপিই দিল্লিতে সরকার গড়বে, বলছে প্রাক্-নির্বাচনী সমীক্ষা

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দিল্লিতে বিধানসভা ভোট হয়েছিল। ৭০ আসন-বিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভায় সরকার গড়তে দরকার ৩৬টি আসন। কিন্তু বিজেপি পেয়েছিল ৩২টি আসন, আম আদমি পার্টি ২৮টি আসন, কংগ্রেস ৮টি এবং অন্যান্যরা ২টি আসন। ফলে এককভাবে সরকার গড়ার সামর্থ্য কারও ছিল না। আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেস যৌথভাবে সরকার গড়ে। মুখ্যমন্ত্রী হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু জনলোকপাল বিল নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে মতানৈক্য হওয়ায় ৪৯ দিনের মাথায় তিনি পদত্যাগ করেন। তার পর থেকে রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে দিল্লিতে।
এবিপি নিউজ-এসি নিয়েলসেন বলছে, এই মুহূর্তে যদি ভোট হয়, তা হলে বিজেপি ৪৬টি আসন পেতে পারে। অর্থাৎ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে তারা। আম আদমি পার্টি পেতে পারে ১৮টি আসন। অর্থাৎ গতবার তারা যা পেয়েছিল, তার থেকে ১০টি কম। আর কংগ্রেস বড় জোর ৫টি আসন পাবে। অর্থাৎ আগের বারের চেয়ে এ বার আরও খারাপ দশা হবে আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসের। মূলত নরেন্দ্র মোদীর গগনচুম্বী জনপ্রিয়তা দিল্লিতে বিজেপির পক্ষে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর হবে বলে দাবি করা হয়েছে।
আম আদমি পার্টির অবস্থা খারাপ হলেও অরবিন্দ কেজরিওয়াল কিন্তু এখনও যথেষ্ট জনপ্রিয়। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে দেখতে চান দিল্লির ৩৯ শতাংশ মানুষ। আর বিজেপির হর্ষবর্ধনকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে চান ৩৮ শতাংশ মানুষ।
মজার ব্যাপার হল, অরবিন্দ কেজরিওয়াল জনপ্রিয় হলেও তাঁর দল ততটা জনপ্রিয় নয়। ৩৮ শতাংশ ভোট বিজেপির দখলে যেতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে এবিপি নিউজ-এসি নিয়েলসেনের সমীক্ষায়। আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেস যথাক্রমে ২৬ শতাংশ ও ২২ শতাংশ ভোট পেতে পারে।
আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে উক্ত সমীক্ষায়। নরেন্দ্র মোদী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল আর রাহুল গান্ধীর মধ্যে কে বেশি জনপ্রিয়, তা যখন দিল্লির মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, তখন দেখা যাচ্ছে যে, সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছেন প্রথমজন। ৬৩ শতাংশ মানুষ সমর্থন করেছেন নরেন্দ্র মোদীকে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে সমর্থন দিয়েছেন ২৫ শতাংশ মানুষ। আর ১২ শতাংশ মানুষের সমর্থন রয়েছে রাহুল গান্ধীর পিছনে। দিল্লির ৫৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন, নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর দেশের উন্নতি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications