খেলা ঘুরিয়ে মার্চের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে বিজেপি সরকার, ইঙ্গিত মোদী ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর
খেলা ঘুরিয়ে মার্চের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে বিজেপি সরকার, ইঙ্গিত মোদী ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর
ফের একবার খেলা ঘুরতে চলেছে মহারাষ্ট্রে! এমনটাই ইঙ্গিত কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর বক্তব্যে। আর তা সামনে আসার পরেই রীতিমত হইচই পড়ে গিয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে। বিজেপি বিরুদ্ধে সরকার ফেলে দেওয়ার অভিযোগ শিবসেনার। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা।

আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা নারায়ণ রানে। আর সেখানেই কার্যত মহারাষ্ট্র নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন তিনি। বলেন, আগামী বছরের মার্চের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে গঠন হয়ে যাবে বিজেপি সরকার। শুধু তাই নয়, সে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাবে বলেও দাবি তাঁর। খোদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এহেন বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক জল্পনা। এমনকি বিধায়ক কেনাবেচার বিষয়টিও উড়িয়ে দিতে পারছেন না শাসক শিবির।
আগামী ২৪ এর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতে বড়সড় রদবদল করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গঠন হয় নতুন মন্ত্রিসভা। এই মুহূর্তে মোদীর মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন রানে। সম্প্রতি জয়পুরে গিয়েছেন তিনি। আর সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এই বিজেপি নেতা। মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নারায়ন রানে আরও বলেন, মহারাষ্ট্রে এখন বিজেপি সরকার নেই। ফলে সে রাজ্যের পরিস্থিতি মোটেই ভালো না। আর এরপরেই কার্যত বিস্ফোরক দাবি করে রানে বলে, আগামী মার্চের মধ্যে সে রাজ্যে বিজেপি সরকার তৈরি হয়ে যাবে। আর এরপরেই মহারাষ্ট্রে ব্যাপক বদল লক্ষ্য করা যাবে বলে দাবি তাঁর।
তাহলে সরকার কি ফেলে দিতে চাইছে বিজেপি? এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ফেলে দেওয়া কিংবা তৈরি হওয়া পুরো বিষয়টিই খুবই গোপন হয়। তবে এটা আমার ভিতরের কথা, আর তা কখনই প্রকাশ্যে আনতে চাই না বলেও মত তাঁর। যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত নারায়ণ রানের। তাঁর এই মন্তব্য মোটেই হালকা ভাবে নিতে নারাজ রাজনৈতিকমহল।
একাংশের মতে, গত কয়েকদিন আগেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে কুকথা বলে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এসেছিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। এমনকি তাঁকে গ্রেফতার পর্যন্তও করেছিল মহারাষ্ট্র পুলিশ। যা নিয়ে রীতিমত হইচই বেঁধে যায়। আর এরপরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সরাসরি সরকার গঠনের চ্যালেঞ্জ। আর তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহ।
আর এই বিতর্কের মধ্যেই দিল্লি উড়ে যাচ্ছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। সমস্ত কাজ ফেলে রেখেই দিল্লি যাচ্ছেন তিনি। প্রফুল প্যাটেলকে সঙ্গে নিয়েই মুম্বই থেকে দিল্লি রওনা হয়েছেন তিনি।অন্যদিকে মুম্বইয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবন্দ্র ফড়নীবিশও ইতিমধ্যে দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন। ফলে একাধিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের জল্পনা ঘুরছে দিল্লির রাজনীতিতে। আর এর মধ্যেই কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর মন্তব্য ঘ্রে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications