বিরোধীদের টেক্কা দিয়ে উত্তর-পূর্বে বিজেপির যাত্রা শুরু আগেই, নয়া টার্গেট মেঘালয়

বিজেপির লক্ষ্যে এবার উত্তর-পূর্বে। সামনেই মেঘালয় ও ত্রিপুরার নির্বাচন। দুই রাজ্যে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নরেন্দ্র মোদী তাঁর কাজ শুরু করে দিলেন।

বিজেপির লক্ষ্যে এবার উত্তর-পূর্বে। সামনেই মেঘালয় ও ত্রিপুরার নির্বাচন। দুই রাজ্যে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নরেন্দ্র মোদী তাঁর কাজ শুরু করে দিলেন। ২০২৩-এর ফেব্রুয়ারিতে ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী উন্নয়নের জাদুকাঠিতে দুই রাজ্য জয়ের বার্তা বিলোলেন।

সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করে এসেছেন মেঘালয়ে। মেঘালয়ে পরিবর্তনের সরকার গড়ার ডাক দিয়ে এসেছেন। এবার তাদের পাল্টা নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহও মেঘালয়ে দামামা বাজিয়ে এলেন বিধানসভা ভোটের। একইসঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দিলেন, এবার তারাও তৈরি মেঘালয়-যুদ্ধে।

বিরোধীদের টেক্কা দিয়ে উত্তর-পূর্বে বিজেপির যাত্রা শুরু আগেই,

ত্রিপুরা আগেই দখল করেছে বিজেপি। এবার তাদের লক্ষ্য ক্ষমতা ধরে রাখা। আর মেঘালয়ে জোট সরকারে রয়েছেন তারা। এনপিপির সঙ্গে জোট গড়ে তারা কংগ্রেসের বিজয়রথ আটকে ছিল। মাত্র দুটি আসন নিয়েও বিজেপি ছিল মেঘালয়ের কিং-মেকার। এবার সেই মেঘালয়ে তারা এককভাবে লড়াইয়েই বার্তা দিলেন।

সম্প্রতি মেঘালয়ে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী উন্নয়নের বার্তা দিয়েছেন। গৃহপ্রবেশ কর্মসূতির প্রায় ২ লক্ষ মানুষের মাথার উপর ছাদের সংস্থানের আশ্বাস দিয়েছেন। শুরু করেছেন এই কর্মসূচির। গুজরাত ও হিমাচলের পরে উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্য যে এবার তাদের টার্গেট, তা স্পষ্ট প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে।

এবার ত্রিপুরা ও মেঘালয়কে পাখির চোখ করছে বিজেপি। গুজরাতে বিপুল জয় তুলে নিতে সমর্থ হলেও কংগ্রেসের কাছে হারাতে হয়েছে হিমাচল প্রদেশ। এবার ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের শসান ক্ষমতা যাতে হারাতে না হয়, তার দিকে এখন থেকেই নজর দিয়েছেন মোদী-শাহ। ভোটের ঠিক আগে দুই রাজ্যে ৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করেছেন নরেন্দ্র মোদী।

তারপর মেঘালয় যে এবার বিজেপির পাখির চোখ, তা নিজেদের শরিক জোটসঙ্গী ন্যাশলান পিপলস পার্টি বা এনপিপিকে ভাঙাতেই সুস্পষ্ট। দল বড় করার চেষ্টা করছে বিজেপি। লক্ষ্য একটাই ক্ষমতা। ক্ষমতা দখলের জন্য জোটসঙ্গীকে ভাঙতেও কসুর করছে না তারা।

বুধবারই দিল্লিতে মেঘালয়ের চার বিধায়ককে বিজেপিতে যোগদান করিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তার মধ্যে রয়েছেন শাসকদল এনপিপি-র দুই বিধায়ক। আর রয়েছেন তৃণমূলের ১ বিধায়ক এবং ১ নির্দল বিধায়ক। তৃণমূল বা নির্দল বিধায়কের যোগদান নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই, কিন্তু নিজেরই শরিক দলকে ভেঙে শক্তি বাড়ানো নিয়ে শুরু হয় জোর বিতর্ক।

শুধু মেঘালয়েই নয়, বিজেপি একইভাবে জোটসঙ্গীকে ভেঙেছে মণিপুর ও ত্রিপুরাতেও। বিহারেও জোটসঙ্গীকে অন্ধকারে রেখে বিজেপি ক্ষমতা দখলের খেলা চালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। শেষে জোট ছেড়ে বেরিয়ে এসে নীতীশ কুমার মহাজোটের সরকার গড়েছেন।

মেঘালয়ে তাদের বিধায়ককে ভাঙিয়ে নেওয়ায় জোটসঙ্গী বিজেপির উপর ক্ষুব্ধ এনপিপি। তাঁদের নেতৃত্বে সরকারে রয়েছে বিজেপি, তারপরেও কেন তাঁদের বিধায়ককে ভাঙানোর খেলা চালিয়ে যাচ্ছে? বিতর্ক তৈরি হয়েছে বিজেপির এই ভূমিকায়। বিভি্ন্ন দলকে ভাঙতে ভাঙতে তারা, নিজেদের শরিককেও ভাঙছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+