BJP’s reshuffling: ২০২৪-এর লোকসভায় বিজেপির পাখির চোখ উত্তরপ্রদেশ আর মুসলিম ভোটে
বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে জাতীয় ক্ষেত্রে নয়া টিম তৈরি করে ফেলেছে বিজেপি। সেই টিমে বিজেপি ফোকাস করেছে উত্তরপ্রদেশ ও মুসলিমদের দিকে। বিজেপি স্পষ্টতই ইঙ্গিত করেছে, মুসলিমদের আকৃষ্ট করতে হবে। আর মনোনিবেশ করতে হবে উত্তরপ্রদেশের দিকে।
উত্তরপ্রদেশ তেকে ৮০ জন সাংসদ নির্বাচিত হন। সবথেকে বেশিসংখ্যক সাংসদ পাঠাট যে রাজ্য সেই রাজ্যকে তো গুরুত্ব দিতেই হবে। গুরুত্ব দিতে হবে মুসলিমদেরও। কারণ মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক উত্তরপ্রদেশ তো বটেই বহু রাজ্যেই অনেক আসনে ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই দুটি দিক বজায় রেখে বিজেপি নতুন টিম তৈরি করেছে।

শনিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সাংগঠনিক রদবদল করেছেন। তাঁর টিমে তিনি নিয়ে এসেছেন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তারিক মনসুরকে। তাঁকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি করা হয়েছে। মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে পাসমান্দা স্নেহ যাত্রা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাসমান্দা মুসলিম বলতে বোঝায় অনগ্রসর, দলিত মুসলিমদের। তাঁদেরকে আকৃ্ষ্ট করার জন্য বিজেপির সমন্বিত প্রচেষ্টার পরিপ্রেক্ষিতে দলে মনসুরের অন্তর্ভুক্তি তাৎপর্যপূর্ণ। এই শিক্ষাবহিদ ইউনিফর্ম সিভিল কোড নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের শঙ্কা দূর করার চেষ্টা করবে।
উপাচার্যের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরে যোগী আদিত্যনাথ সরকার মনসুরকে উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদে মনোনীত করেছিল। তাঁকে সর্বভারতীয় সহসভাপতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে বিজেপি বোঝাতে চাইছে তাঁরা রাজনীতিতে বিশ্বাস করে কিন্তু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়।

বিজেপি ২০২৪ সালে ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া। সেই লক্ষ্য নিয়েই জাতীয় টিম সাজিয়েছে তারা। বিজেপি উত্তরপ্রদেশে ৮০টি আসনই জিততে চায়। সেই কারণে উত্তরপ্রদেশকে গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে জাতপাতের সমীকরণে ভরসা করছে বিজেপি।
উত্তরপ্রদেশে মুসলিমদের গুরুত্ব দেওয়ার পাশিপাশি উচ্চবর্ণের ভোট পেতে ব্রাহ্মণ মুখকেও সামনে রাখা হচ্ছে। সেইমতো লক্ষ্মীকান্ত বাজপেয়ীকে সর্বভারতীয় সহসভাপতি আনা হয়েছে। একজন কুর্মি সদস্য হিসেবে সাংসদ রেখা ভার্মাকেও সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জায়গা করে নিয়েছেন সুরেন্দ্র নাগর, রাধামোহন আগরওয়াল ও অরুণ সিংয়ের মতো বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সদস্যরা।












Click it and Unblock the Notifications