শ্রমিকদের নিয়ে ভাবেন না মোদী! বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে শ্রম আইন রদের পর তোপ কংগ্রেসের
কয়েকদিন আগে এক অভাবনীয় সিদ্ধান্তে উত্তরপ্রদেশের প্রায় সব শ্রম আইন বাতিল করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এর জেরে এখন সংস্থাগুলো যেকোনও সময় যেকোনও কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারবে। ধসে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সংস্থাগুলোকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই পদক্ষেপ। তবে তিনটি ক্ষেত্রে শ্রম আইন লাগু থাকবে বলে জানিয়েছে যোগী প্রশাসন।

যেসব রাজ্যে বাতিল হচ্ছে শ্রম আইন
তবে শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, রাজস্থান ও পাঞ্জাবের মত কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলি, এবং বিজেডি শাসিত ওড়িশাতেও কিছু বদল আনা হয়েছে শ্রম আইনে। বলা হচ্ছে এই বদলগুলি সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির অর্থনীতি চাঙ্গা করার উদ্দেশ্য আনা হয়েছে।

শরম আইন নিয়ে রাজনৈতিক তরজা
এদিকে দেখা যাচ্ছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি প্রায় সব শ্রম আইন রদ করছে। কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলি অতটাও কঠোর পদক্ষেপের দিকে হাঁটছে না। আর এরই মধ্যে এবার এই শ্রম আইন রদ করা নিয়ে শুরু হল শাসক-বিরোধী তরজা।

বিজেপিকে কংগ্রেসের তোপ
এদিন কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়, বিদেশি বিনিয়োগ টানতে দেশের শ্রমিকদের থেকে নুন্যতম অধিকারটাও কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের যাতে এই কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন না হতে হয় তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে আবেদন জানানো হয় কংগ্রেসের তরফে।

মোদীর কাছে কংগ্রেসের আবেদন
কংগ্রেসের মুখপাত্র এদিন এই বিষয়ে বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী যদি সত্যি শ্রমিকদের নিয়ে চিন্তিত বয়ে থাকেন তবে তাঁর উচিৎ, অবিলম্বে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশেরে মতো রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়ে বলা যে এই শ্রম আইন রদ যেন না করা হয়। আজকেই এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই আমরা।'

শ্রম আইন নিয়ে তৈরি বিতর্ক
এদিকে অধিকাংশ শ্রম আইন বাতিল করলেও উত্তরপ্রদেশে বহাল রাখা হয়েছে তিনটি আইন। যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শ্রমিকদের অসুস্থতার সময় এক্স গ্রাশিয়া দিতে হবে। সময় মতো কর্মীদের বেতন দিতে হবে সংস্থাকে। এছাড়া বন্ডেড লেবার কোনও ভাবেই করানো যাবে না কর্মীদেরকে দিয়ে। এই তিনটি ক্ষেত্রে শ্রম আইন আগের মতোই লাগু করা হবে। তবে বাকি ক্ষেত্রে এখন উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর মুক্তহস্ত। উত্তরপ্রদেশ সরকারের এহেন এক সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।












Click it and Unblock the Notifications