জেডিইউ-বিজেপি আসন সমঝোতা নিয়ে প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যকে খারিজ বিজেপির
জেডিইউ-বিজেপি আসন সমঝোতা নিয়ে প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্যকে খারিজ বিজেপির
২০১৯ এর লোকসভা ভোটে বিহারে বিজেপির সঙ্গে নীতিশ কুমারের আসন সমঝোতা নিয়ে যে বোঝাপড়া হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি ২০২০ এর বিধানসভা নির্বাচনে আর হবেনা বলেই ইতিমধ্যে জানিয়েছিলেন জেডিইউ এর সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। যদিও প্রশান্তের কথা উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির মুখপাত্র নিখিল আনন্দ বলেন, "২০২০ এর বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ জোটের বিষয়টি আলোচনা সাপেক্ষ। এখনই কিছু ভেবে নেওয়া ভুল হবে। উচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

সিএএ ও এনআরসি নিয়ে দেশের প্রায় সব বিরোধী নেতারা সরব হলেও এখনো মুখ খোলেননি ইউনাইটেড জনতা দলের প্রধান নীতিশ কুমার। অন্যদিকে শরিক দল বিজেপির বিরুদ্ধে দলের সহ সভাপতি প্রশান্তের এই মন্তব্যের পরেও তার বিরুদ্ধেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি দল।
প্রশান্তের সাফ বক্তব্য ২০২০ এর বিহার বিধানসভার কথা মাথায় রেখে জেডিইউয়ের আরও বেশি আসনে প্রার্থী দেওয়া উচিত। এক বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়েও প্রশান্তের সাফ বক্তব্য, ২০১৯ এর আসন ভাগাভাগির সিদ্ধান্ত ২০১৪ এর ভোটের ফলাফল পর্যালোচনা না করেই নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০১৯ এর নির্বাচনের ভিত্তিতে ২০২০ এর নির্বাচন হওয়া অযৌক্তিক বলেই মনে করছেন প্রশান্ত কিশোর।
২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে মোট ৪০ টি আসনের মধ্যে বিজেপি ও এনডিএ প্রত্যেকেই ১৭টা করে আসন ভাগাভাগি করেছিল। বাকি ৬টা আসন রাম বিলাসের লোক জনশক্তি দলের জন্য বরাদ্দ ছিল। যদিও এবারের বিধানসভা নির্বাচনে আসন বণ্টন কখনোই সমান না হয়ে ১:১.৪ অনুপাতে হওয়া উচিত বলেই মত প্রশান্তের। অর্থাৎ বিজেপি পাঁচটা আসন চাইলে জেডিইউ এর সাতটি আসন পাওয়া উচিত বলেই মনে করছেন প্রশান্ত কিশোর।












Click it and Unblock the Notifications