হিজাব কাণ্ড নিয়ে পিটিশন জমা দেওয়া পড়ুয়াদের ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মাধ্যমে শেয়ার করে বিপদে বিজেপি
হিজাব কাণ্ড নিয়ে পিটিশন জমা দেওয়া পড়ুয়াদের ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মাধ্যমে শেয়ার করে বিপদে বিজেপি
বিজেপির কর্ণাটক ইউনিট আজ একটি বেআইনি কাণ্ড করে নিজেরাই বিপদে পড়ে যায়। পরে প্রতিবাদের মুখে পড়ে ভুল দ্রুত শোধরাবার জন্য নিজেদের করা টুইট ডিলিট করে। জানা গিয়েছে হিজাব কাণ্ড নিয়ে তারা টুইট করেছিল। পরে সেই টুইট ডিলিট করে তারা।

ঘটনা কেমন? জানা গিয়েছে যারা হিজাব কাণ্ড নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছিল সেই সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের ব্যক্তিগত তথ্য টুইটারে শেয়ার করে আক্রমণ করতে যায় কংগ্রেসকে। আদালতে মামলা চলাকালীন কোনও ঘটনা নিয়ে এভাবে কোনও সময় কিছু কোথাও নিজেদের মত দেওয়া যায় না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তো আরোই নয়। সেখানে কর্ণাটক 'বিজেপি পিটিশন জমা দেওয়া পড়ুয়াদের ব্যক্তিগত তথ্য টুইট করে শেয়ার করে দেয়। সেখানে লেখে রাহুল গান্ধী , প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাজনীতি করার জন্য এই অপ্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহার করছেন। আপনারা বলুন এটা কী ঠিক'। আসলে যারা হিজাব কাণ্ড নিয়ে আদালতে পিটিশন জমা দেয় তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাদেরই ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মাধ্যমে শেয়ার করে দেয় কর্ণাটক বিজেপি।
মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয় এবং এই ঘটনা নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সবাই এই ঘটনার নিন্দা করে। ভুল বুঝতে পারে দ্রুত টুইট ডিলিট করে বিজেপি'র কর্ণাটক শাখা।
তারা টুইটে লিখেছিল, 'হিজাব ঘটনা রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক, তাই নাবালিকা মেয়েদের ব্যবহার করার জন্য কংগ্রেস নেতা সোনিয়া, রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কার কি কোনো দোষ নেই? কীভাবে? তারা কি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য এতটা নীচে নামবে? এটাই কি "লাডকি হু লাড শক্তি হুন"-এর অর্থ'
শিবসেনা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। টুইটটিকে "সংবেদনশীল" বলে অভিহিত করেছেন। তিনি পুলিশ, টুইটার এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রককে ট্যাগ করে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেন। রাজ্যসভার সদস্য - যিনি মহিলা ক্ষমতায়ন সংসদীয় কমিশনেরও অংশ - দাবি করেন যে জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন অবিলম্বে বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, "যে কারও ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা ভুল কাজ সেখানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের নাম এবং ঠিকানা শেয়ার করা তো অপরাধমূলক কাজ। এটি অগ্রহণযোগ্য।'
ঘটনা হল, কর্ণাটকে হিজাব নিয়ে বিতর্ক গত মাসে শুরু হয়েছিল যখন উদুপির একটি পিইউ কলেজের কয়েকজন ছাত্র শিক্ষকদের দ্বারা তা করতে বলা সত্ত্বেও ক্লাসে তাদের মাথার স্কার্ফ সরাতে অস্বীকার করেছিল। অন্য ছাত্ররা প্রতিশোধ হিসেবে জাফরান স্কার্ফ পরে স্কুলে আসতে শুরু করে এবং বিষয়টি আরও বেড়ে যায়। বিষয়টি এখন কর্ণাটক হাইকোর্টে শুনানি চলছে।












Click it and Unblock the Notifications