প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নিয়ে সোনিয়াকে বেনজির আক্রমণ বিজেপির, ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে তোপ নাড্ডার
প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নিয়ে সোনিয়াকে বেনজির আক্রমণ বিজেপির, ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে তোপ নাড্ডার
প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নিয়ে এবার কংগ্রেসকে বেনজির আক্রমণের পথে হাঁটতে দেখা দেখা গেল বিজেপিকে। ইউপিএ আমলে প্রাধনমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলের টাকা পারিবারিক খাতে খরচ করেছে বলে শুক্রবার সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

কংগ্রেসকে বেনজির আক্রমণ নাড্ডার
চিনা দূতাবাস থেকে প্রাপ্ত অর্থ নিয়েই এদিন গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে আক্রামণ শানান জয় প্রকাশ নাড্ডা। ইউপিএ আমলে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন (আরজিএফ) মারফত চিনা দূতাবাস থেকে প্রাপ্ত অনুদানের অর্থ একটা পরিবারের খরচ বহন করতেই বেরিয়ে যেত বলে তাঁর মত। নাড্ডার মতে, এটি কেবল একটি নির্লজ্জ জালিয়াতিই নয়, একইসাথে এর মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের সাথেও বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল কংগ্রেস।

‘গান্ধী পরিবারের ধনসম্পদের লোভেরই খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে’
গান্ধী পরিবারের প্রতিসুর চড়িয়ে নাড্ডার যুক্তি এই পরিবারের ধন-সম্পদের খিদের জন্যই গোটা দেশকে অনেক বড় খেসারত দিতে হয়েছে। এর জন্য কংগ্রেসের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও তাঁর মত। এদিকে করোনা সঙ্কটের আবহে তৈরি পিএম কেয়ার্স ফান্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ তুলতে দেখা গেছে কংগ্রেস সহ একাধিক বিরোধী দলকে। এদিন এই প্রসঙ্গেও টুইটবার্তায় একধিক বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।

নাড্ডার প্রশ্নবানে বিদ্ধ সোনিয়া
এই প্রসঙ্গে যুক্তি দিতে গিয়ে নাড্ডা প্রশ্ন করেন, "পিএমএনআরএফ (প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল) এর মাধ্যমে ইউপিএ সময়কালে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনকে অর্থ দান করেছিল। পিএমএনআরএফ বোর্ডের মাথায় কে বসেছিলেন? সোনিয়া গান্ধী। আরজিএফ-র (রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন) কে সভাপতিত্ব করেন? সোনিয়া গান্ধী। এটা চূড়ান্ত ভাবে নিন্দনীয় এবং স্বচ্ছতা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন থেকে যায়। "

‘ভারতের মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে কংগ্রেস’
তার কথায়, "ভারতের নাগরিকেরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে দিয়েছিলেন যাতে দুঃসময়ে তা দেশের মানুষেরই কাজে লাগে। কিন্তু জনসাধারণের এই টাকা পারিবারিক সম্পত্তিতে পরিণত করা শুধু জালিয়াতি নয়, ভারতের মানুষের সাথে একটা বড় বিশ্বাসঘাতকতাও।" লকডাউন হোক বা পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু বা হালের চিন-ভারত সংঘাত সবেতেই একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে দেশের শাসক ও প্রাধন বিরোধী দল। এখন একাধিক রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে এই রাজনৈতিক তরজা কী প্রভাব ফেলে সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications